Skip to main content

Posts

Showing posts from June, 2020

বিজেপি কর্মীকে গুলি! প্রতিবাদে পথ অবরোধ খেজুরিতে

Khejuri Live:   তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষে উত্তপ্ত খেজুরি। খেজুরি-২ ব্লকের কটকা দেবীচক, গোড়াহার এলাকায় দফায় দফায় সংঘর্ষ চলে। গত কয়েকদিন ধরেই খেজুরিতে তৃণমূল-বিজেপির সংঘর্ষ লেগেছিল। রবিবার সকালে সংঘর্ষ বাড়ে। বোমাবাজি, বাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত হন উভয় দলের সমর্থকরা। গুলি চালানোর অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। বিজেপির কাঁথি সাংগঠনিক জেলা সম্পাদক তাপস দলুই বলেন, পবিত্র দাসকে লক্ষ করে গুলি চালায় তৃণমূল কর্মীরা। গুলি লাগার পরে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে পথ আটকায় তৃণমূল। পবিত্র সহ আমাদের ৬জন কর্মী জখম হয়েছেন। সকলেই চিকিৎসাধীন। প্রশাসনের নিরব ভূমিকার জন্য দিনের আলোতে গুলিবিদ্ধ হতে হল বিজেপি কর্মীকে। এই ঘটনার পরেই বিজেপি কর্মীরা ক্ষোভে ফেটে পড়েন। দীঘা-নন্দকুমার ১১৬বি জাতীয় সড়কের হেঁড়িয়াতে পথ অবরোধ করেন বিজেপি কর্মীরা। কয়েকদিন ধরে গন্ডগোল চললেও পুলিশের তৎপরতা নেই বলে দাবি বিজেপির। খেজুরির বিধায়ক রনজিত মন্ডল বলেন, সিপিএম ও বিজেপি এক হয়ে নাটক করছে। তৃণমূলের কেউ এঘটনায় জড়িত নেই।বাড়ি ভাঙার টাকা পাওয়া নিয়ে একটা অভিযোগ উঠেছিল তরফে, অভিযোগের ভিত্তিতে সমস্যা সমাধান করাও হয়েছে।

স্বস্তি নেই! আবারও করোনা আক্রান্তের খবর খেজুরিতে

Khejuri Live:  কিছুদিন আগে খেজুরিতে করোনা আক্রান্তের হদিশ মিলেছিল। চিকিৎসার পরে আক্রান্ত ব্যাক্তি সুস্থ হয়ে ফিরেছেন বাড়ি। এই ভালো খবরের পরেই মিলল দুঃসংবাদ। নতুন করে ২জন ব্যাক্তির করোনা আক্রান্তের হদিশ মিলল খেজুরিতে। জানাগিয়েছে আক্রান্ত ব্যাক্তিদের বাড়ি খেজুরি-১ ব্লকের টিকাশী পঞ্চায়েতের পূর্বচড়া ও কলমদান। আক্রান্ত ব্যাক্তিরা গুজরাট ও তামিলনাড়ু থেকে ফিরেছেন গত ৪দিন আগে। ফিরবার পর প্রশাসনের তরফে করোনা টেস্ট করার জন্য নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছিল। বৃহস্পতিবার রিপোর্ট পজিটিভ হওয়ায় দুজনকে পাঁশকুড়া বড়মা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। স্বাস্থ্য দপ্তরের আধিকারিকরা বৃহস্পতিবার দুপুরে আক্রান্তদের চিকিৎসার জন্য নিয়ে যান। স্বাস্থ্য দপ্তর এবং ব্লক প্রশাসনের তরফে পরিবারের সদস্যদের কোয়ারেন্টাইনে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। আজ শুক্রবার পরিবারের সদস্যদের পরীক্ষা করা হবে। বিডিও তীর্থঙ্কর রায় বলেন, টিকাশি পঞ্চায়েত এলাকায় সাধারণ মানুষকে আতঙ্কিত না হয়ে সচেতন হওয়ার বার্তা দেওয়া হয়েছে। এলাকায় মাইকিং করে বাড়িতে থাকার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। দোকানপাট বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে প্রশাসনের তরফে। এখন আক্রান্ত দুজনের ক...

খেজুরিতে দিব্যাঙ্গদের সহায়ক যন্ত্রপাতি প্রদান

Khejuri Live:  দিব্যাঙ্গদের সহায়তা করলেন কামারদা পঞ্চায়েত। পঞ্চায়েতের উদ্যোগে বৃহস্পতিবার পঞ্চায়েত অফিসে ট্রাই সাইকেল, হুইল চেয়ার, শ্রবন যন্ত্র, ফিজিওথেরাপি যন্ত্র, ব্লাইন্ড স্টিক প্রদান করা হয়। পঞ্চায়েত ভবনে শিবিরের উদ্বোধন করেন বিধায়ক রনজিত মন্ডল। উপস্থিত ছিলেন খেজুরি-১ ব্লকের বিডিও তীর্থঙ্কর রায়, পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি শ্রাবণী মাইতি, পূর্ত কর্মাধক্ষ নির্মল পাত্র, উপ-প্রধান বিশ্বনাথ মালিক সহ পঞ্চায়েত প্রতিনিধিগণ। এদিন প্রায় ৫০জনকে সাহায্য প্রদান করা হয়। ২৪ জনকে ট্রাই সাইকেল, হুইল চেয়ার এবং ১০জনকে  শ্রবন যন্ত্র দেওয়া হয়। পাশাপাশি  ফিজওথেরাপি যন্ত্র ২ জনকে,ব্লাইন্ড স্টিক ৪ জনকে দেওয়া হয়।  ও অন্যান্য যন্ত্রপাতি দেওয়া হয় ১০জনকে। এছাড়াও ১০ জনকে ত্রিপল বিলি করা হয়।

ছোট_গল্প একটি_দুঃখজনক_দুর্ঘটনা

সমরেশ সুবোধ পড়্যা "বাবা, তুমি ঘুগনি রাঁধতে বলে এমন জায়গায় চলে গেলে, আর কখনও ফিরে আসবে না" এই কথা বলে কাঁদতে কাঁদতে মোটর সাইকেল দুর্ঘটনায় মৃত অরুণবাবুর বুকে আছড়ে পড়লো তার একমাত্র বিবাহিতা কন্যা মীরা গিরি৷ হেঁড়্যা-বাজকুল পাকারাস্তায় একটি মাছ বোঝাই লরীর সঙ্গে মোটরবাইক আরোহী বেগুনাবাড়ি গ্রামনিবাসী অরুণ কুমার গিরি'র এক্সিডেন্ট হয় উদাখালীর রাস্তার মোড়ে৷ প্রচন্ড গতিতে আসা মাছ বোঝাই অমানবিক লরীর চালক লরী নিয়ে সঙ্গে সঙ্গে পলাতক৷ ঘটনাটি ঘটেছে আজ সকালে৷ অনেক মানুষ নিয়ে কাজ করেন, অরুণবাবু একজন ঠিকাদার (Contractor)৷ উনারা তিনভাই এবং তিনবোন৷ অরুণবাবু বড়৷ তরুণ, বরুণ, অঞ্জলী, দীপালী ও শেফালী৷ সবারই বিয়ে হয়েছে৷ অরুণবাবুরা একান্নবর্তী সংসারে সবাই এক হয়ে ভীষণ সুখে জীবনযাপন করতেন৷ প্রতিবেশী কমলিনীদেবীর কথায়; "উনার ভাইয়ের বৌয়েরা সকলে কাজ একসঙ্গে মিলেমিশে করতেন৷ রান্নাবান্না থেকে চাষবাস, সবেতেই৷ অরুণবাবু গ্রামের রাস্তায় চলাফেরা করার সময় সকলের সাথে ভালোমন্দ সমস্ত বিষয়ে কথা বলতেন৷ হৃদয়ে একটুমাত্র অহংকার ছিল না৷ বছর পঞ্চাশেক অরুণবাবু, পরোপকারী ভীষণ ভালো মানুষ ছিলেন৷...

রথযাত্রা চলে গেল! যাত্রাশিল্পীদের ভবিষ্যৎ অথৈ জলে।

রাজেশ শাসমল  : ভয়ঙ্কর সংক্রমন ভাইরাস করোনা যেনো সব কিছু ওলট পালট করে দিলো।যাত্রাদল আছে বুকিং সেন্টার আছে শুধু হচ্ছে না বুকিং।কারণ করোনা ভাইরাসের জের!রাতেই তো লকডাউন। পূজা,অনুষ্ঠান, উৎসব সমস্ত কিছু বন্ধ।মুখে মাস্ক পরে যাত্রা করা অসম্ভব ব্যাপার।তাই কার্যত  দিশেহারা যাত্রার আঁতুড় ঘর পূর্ব মেদিনীপুর জেলার নন্দকুমার।আতঙ্কে আজ সব কিছু স্তব্ধ। সোস‍্যাল ডিষ্টেনসের যাঁতাকলে থমকে গেছে সমস্ত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। আর তাতে বাদ যায়নি যাত্রাপালাও। প্রাচীন যাত্রা শিল্প বেঁচে থাকার বটন মূলত রয়েছে পূর্ব মেদিনীপুরের হাতে।  রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় কিছু কিছু যাত্রা দল থাকলেও পূর্ব মেদিনীপুরকে যাত্রার আতুঁড় ঘর বলা হয়।প্রায় ৬০% যাত্রার দল রয়েছে এই জেলায়।পূর্ব মেদিনীপুর ও পশ্চিম মেদিনীপুর যাত্রার দল গুলি কে নিয়ে তাম্রলিপ্ত যাত্রা কল্যান সমিতি রয়েছে নন্দকুমারে। এখানে প্রায় কুড়িটি বুকিং অফিস রয়েছে।প্রায় কুড়ি হাজার মানুষ পরোক্ষ ভাবে এই পেশায় যুক্ত।লকডাউনে কেউ চা বিক্রি,কেউ জিনিসপত্র ফেরি করে কেউ বা মাছ ও সবজী দোকান দিয়ে পেট চালিয়েছে। কিন্তু মন টানে রঙ্গমঞ্চ,দর্শকের হাততালি।লকডাউন শিথিল হলেও যাত্রার...

ক্যালভার্ট মেরামতির সময় সিমেন্টের প্লেট চাপা পড়ে মৃত-১

Khejuri Live:  ক্যালভার্ট মেরামতির সময় সিমন্টের প্লেট চাপা পড়ে মৃত্যু হল নির্মাণকর্মীর। ঘটনাটি ঘটেছে খেজুরি-২ ব্লকের হলুদবাড়ি পঞ্চায়েতের দেখালি গ্রামে। জানাগিয়েছে মৃত নির্মাণকর্মী মাধব মান্না (৪০) চৌদ্দচুল্লির  বাসিন্দা। পঞ্চায়েতের তরফে টেন্ডার অনুযায়ী বুধবার দুপুরে দেখালির ক্যালভার্টের কাজ শুরু হয়। ক্যালভার্টের নিচে জমে থাকা মাটি পরিষ্কার করতে নামেন তিনজন নির্মাণকর্মী। সে সময় আচমকা ক্যালভার্টের একাংশের সিমেন্টের প্লেট  হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে নির্মাণকর্মীদের ওপর। দুজনকে উদ্ধার করা সম্ভব হলেও মারা যান মাধব। খবর পেয়ে পুলিশ দেহ উদ্ধারে এলে তাদের ঘিরে বিক্ষোভ শুরু করেন বাসিন্দারা। ঠিকাদারকে গ্রেপ্তারের দাবি জানান স্থানীয়রা। পুলিশ দেহ  উদ্ধার করতে পারেনি।

একাধিক দাবি নিয়ে খেজুরিতে এসএফআই, ডিওয়াইএফআই-র মহামিছিল

Khejuri Live: বেকারদের কাজ দাও নাহলে ৬হাজার টাকা মাসিক বেকার ভাতা দিতে হবে বলে দাবি সিপিআইএম সংগঠনের। বুধবার হেঁড়িয়াতে এসএফআই, ডিওয়াইএফআই-র খেজুরি ও হেঁড়িয়া লোকাল কমিটির উদ্যোগে মহামিছিল হয়। মহামিছিলে ডিওয়াইএফআই ও এসএফআই নেতৃত্বের দাবি,  স্কুল কলেজে ছাত্র-ছাত্রীদের ফি মকুব করতে হবে। পেট্রোল-ডিজেলে অস্বাভাবিক মুল্য বৃদ্ধির জন্য বিজেপি সরকারকে কাঠগড়ায় তোলেন তাঁরা।  পাশাপাশি খাদ্য, কাজ ও জনস্বাস্থের দাবিতে রাজ্য ও কেন্দ্রসরকারকে উদ্যোগী হতে হবে। উভয় সরকারের ব্যার্থতার প্রতিবাদে মহামিছিল বলে দাবি নেতৃত্বের ।      

খেজুরিতে মালঞ্চ ইটাবেড়িয়া সাংস্কৃতিক সংস্থা ও ডায়মন্ড হারবার ফকিরচাঁদ কলেজের প্রাক্তনীদের ত্রাণ বিতরণ

    Khejuri Live : খেজুরিতে মালঞ্চ ইটাবেড়িয়া সাংস্কৃতিক সংস্থা ও ডায়মন্ড হারবার ফকিরচাঁদ কলেজের প্রাক্তনীরা ত্রাণ বিতরণ করলেন। খেজুরি-১ ব্লকের কামদেবনগর ও কলাগেছিয়াতে সোমবার ত্রাণ বিতরণ করেন দুই সংস্থা। কামদেবনগর ফ্রেন্ডস সোসাইটির সহযোগিতায় বিএড প্রাক্তনীরা ত্রাণ সাহায্য করেন। কামদেবনগর ও কলাগেছিয়ার ১৫০পরিবারের হাতে খাদ্যসামগ্রী তুলে দেন তাঁরা। মালঞ্চ ইটাবেড়িয়া সাংস্কৃতিক সংস্থার পক্ষে সোমনাথ সামন্ত ও ফ্রেন্ডস সোসাইটির সম্পাদক বিশ্বজিত মাইতি উভয় সংস্থাকে দুর্দিনে খেজুরির পাশে দাঁড়ানোর জন্য ধন্যবাদ জানান।

গ্রাম্য গোষ্টীর উদ্যোগে খেজুরিতে হলদিয়া এক্স-সার্ভিসম্যান অ্যাসোসিয়েশন ও সোপানের ত্রান-সাহায্য

Khejuri Live:   খেজুরির স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন দেউলপোতা গ্রাম্য গোষ্ঠীর সহযোগিতায় খেজুরি-২ ব্লকে ত্রাণ-সাহায্য করলেন হলদিয়া এক্স-সার্ভিসম্যান অ্যাসোসিয়েশন ও কোলকাতার স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন সোপান। বিদ্ধংশী ঘুর্ণিঝড় আমফান অসহায় করেছে উপকূলবর্তী খেজুরির মানুষকে। ভেঙেছে ঘরবাড়ি, গাছপালা। নষ্ট হয়েছে চাষাবাদ, পুকুর। তারওপরে করোনা-লকডাউন কর্মহীন করেছে তপশিলি অধ্যুষিত খেজুরিকে। দুর্দিনে সাধারণ মানুষের পাশে থাকতে বদ্ধপরিকর স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলি। খাদ্যসামগ্রী, বস্ত্র, মহিলাদের স্যানিটারি দ্রব্য, বাচ্চাদের দুধ দিয়ে সাহায্য করলেন হলদিয়া এক্স সার্ভিসম্যান এসোসিয়েশন ও সোপান। খেজুরি-২ ব্লকের হিজলী ও পাঁচুড়িয়াতে ৩০০জন মানুষের হাতে খাদ্যসামগ্রী তুলে দেওয়া হয়। ২৫০০স্যানিটারি দেওয়া হয় মহিলাদের। পাশাপাশি ৩০০পরিবারের হাতে বাচ্চাদের জন্য লিকুইড দুধ তুলে দেওয়া হয়। এছাড়াও বনবাশুড়িয়া এলাকায় ১৩৩জনকে খাদ্য সামগ্রী বিতরণের পাশাপাশি ১৩৩জন মহিলাকে শাড়ি দেওয়া হয়। সবশেষে দেউলপোতা গ্রামে দুস্থ ৫০পরিবারকে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করে ত্রাণ-সাহায্য কর্মসূচী শেষ করেন ক্লাব কর্তারা। গ্রাম্যগোষ্ঠীর পক্ষে তনুজ বেরা, রত্নদীপ সাম...

করোনা মুক্ত খেজুরির যুবক

  Khejuri Live : করোনা আক্রান্তের খবরে সমগ্র খেজুরিজুড়ে আলোড়ন তৈরি হয়েছিল। পজেটিভ রিপোর্ট ঘিরে মাতামাতি করেছিলেন সকলে। তবে খুশির খবর যুবক করোনা মুক্ত। ভিন রাজ্য থেকে বাড়ি ফিরেছিলেন খেজুরি-২ ব্লকের বোগার যুবক। মুম্বাই থেকে ফেরার পরে ১৪দিন কোয়ারেন্টাইনে ছিলেন তিনি। কোয়ারেন্টাইন পিরিয়ডের পর অর্থাৎ ১৬-১৭দিন পরে যুবকের শরীরে মিলেছিল করোনা ভাইরাস। গত ৮ই জুন নন্দীগ্রাম সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে করোনা আক্রান্ত কিনা পরীক্ষার জন্য নমুনা পাঠানো হয়েছিল। করোনা পজিটিভ রিপোর্ট আসার পরে গত ১২ই মে খেজুরির যুবককে স্বাস্থ্য দপ্তরের উদ্যোগে পাঁশকুড়া বড়মা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। চিকিৎসাধীন অবস্থায় স্বাস্থ্যবিভাগের পক্ষ থেকে দুই বার সোয়াব টেস্ট করা হয়। করোনা নেগেটিভ বলে রিপোর্টে জানান আরজিকর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল। এরপর শুক্রবার  বিকেল নাগাদ যুবককে হাসপাতাল থেকে ছুটি দেওয়া হয়েছে বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে। যুবক ও তার পরিবারের সকলকে আগামী ১৪দিন হোম কোয়ারেন্টাইনে নিজেদের পর্যবেক্ষণে থাকার পরামর্শ দিয়েছেন স্বাস্থ্য দপ্তর।

ছোট্ট_গল্প । কঠিন_শিক্ষা । সমরেশ সুবোধ পড়িয়া

ছোট গল্প কঠিন_শিক্ষা সমরেশ সুবোধ পড়িয়া শনিবার, খেজুরি মুম্বই থেকে আসার পরে চৌদ্দদিন হোম কোয়ারেন্টাইন এর গ্রীলবাস কাটিয়ে প্রথম আলোর মুখ দেখলাম, আজ৷ সাত সকালে বাড়িতে এক স্বামী-স্ত্রী যুগল সাহায্য চাইতে এসেছিল৷ তাঁদের পরণে সাঁওতালি পোশাক, অথচ তারা বললো; আমরা বাজকুলের অধিবাসী৷ মহিলার পোশাকে, মাথার কমলা রঙের সিঁদুর ও কথাবার্তায় পুরো ঝাড়গ্রামের ভাষার ছাপ৷ জিজ্ঞাসা করতে বললো; বাপের বাড়ি - এগরা৷ তাঁদের চোখেমুখে এতটুকূও কষ্টের ছাপ নেই৷ স্বামী বলছে; আমি কনস্ট্রাকশনের কাজে ব্যাঙ্গালোরে ছিলাম৷ একজন পরিযায়ী শ্রমিক৷ লকডাউনের পূর্বেই বাড়িতে ফিরে এসেছি৷ হাতে কোনও কাজ নেই৷ বাড়িতে বাবা বড্ড অসুস্থ৷ মায়ের ক্যান্সার৷ অর্থ খাদ্য নেই, তাই চাইতে আসা৷ মায়ের কথা বলতে আমার মন ভীষণ খারাপ হয়ে গেল৷  একটু শক্ত হয়ে বললাম; "অনেকেই মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে ভিক্ষা চায়৷ তোমাদের পোশাক দেখে বোঝা যাচ্ছে না, তোমরা সত্য বলছো, কি মিথ্যা! এখন সরকারতো বিনে পয়সায় খাদ্যদ্রব্য দিচ্ছে রেশনে৷ যাইহোক, তোমাদের আমি দশ টাকার বেশী দিতে পারবো না৷ নেওয়া না নেওয়া তোমাদের ইচ্ছা৷" ওরা প্রথমে আর একটু বেশী চাইতে শুরু করে...

খেজুরিতে সর্বোদয় সংঘের সাহায্য প্রদান

Khejuri Live: কোভিড ১৯ ব্যাধির ফলে পূর্ব মেদিনীপুরের প্রান্তিক জনপদ খেজুরির গ্রামীন অর্থনীতির ভিত দুর্বল হয়ে পড়েছে। আর সেই দুর্বল জায়গায় শেষ পেরেকটি পুঁতেছে সাম্প্রতিক সাইক্লোন আমফান। প্রবল ভয়ংকর তাণ্ডব নষ্ট করে দিয়েছে খেজুরির অর্থনীতি। বিশেষ করে খেজুরি-২ ব্লকের সমুদ্র সংলগ্ন বসবাসকারী মানুষদের স্মৃতিতে ফিরেছে ২০০ বছরের প্রাচীন সাইক্লোনের ভয়াল রূপ। কথিত ২০০বছর আগের ঝড় খেজুরির প্রাচীন বন্দর, টেলিগ্রাফ অফিস , পোস্ট অফিস সহ ইংরেজ ঔপনেবেশিক ইতিহাসকে নিশ্চিন্হ করে দেয়। এই খেজুরিতেই অর্থনৈতিক , প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও কোভিড ১৯ জনিত কারনে সামাজিক নানা সমস্যায় জর্জরিত প্রান্তিক ,কৃষিজীবি ও মূলত পিছিয়ে পড়া বর্গের মানুষ জন। মানুষের পাশে দাঁড়াচ্ছেন বহু মানুষ। প্রয়োজনীয় ত্রান সাহায্য ও সামগ্রী দিচ্ছেন। খেজুরির অন্যতম অগ্রনী স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠান সর্বোদয় সংঘ প্রবাসী ভারতীয় অমর ব্যানার্জী এবং দেউলি নিবাসী খেজুরি কলেজের অধ্যাপক সমীর সিং এর অর্থানুকূল্যে অনুরূপ ত্রান বিতরন করা হয়। খেজুরি-২ ব্লকের তিনটি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার ৩০০টি দুঃস্থ পরিবারকে।সংস্থার পক্ষে সম্পাদক সুব্রত মাইতি পরিবারগুলির হাতে খাদ্য ...

খেজুরিতে মিডনাপুর ডট ইনের উদ্যোগে বিনামূল্যে জন আহার ও খাদ্যসামগ্ৰী বিতরণ

Khejuri Live:   মিডনাপুর ডট ইনের সদস্য হেঁড়িয়া নিবাসী দিনেন্দু মান্না তাঁর কনিষ্ঠা কন্যা দেবাদ্রিতা'র অন্নপ্রাশনের অনুষ্ঠান না করে, দুপুরে খেজুরি ২ ব্লকের চারটি গ্ৰামের (অরকবাড়ী, চক অরকবাড়ী, সফরচটা ও বনবাসুড়িয়া) প্রায় ৪৫০ জন আমপান ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্হ দু:স্থ মৎসজীবীদের রান্না করা খাবার বিতরণ করলেন। বনবাসুড়িয়া শিক্ষাকেন্দ্রে রান্নার ব্যবস্থা করা হয়েছিল*।  এই সংস্থার আর এক সদস্য তমলুক নিবাসী   বিভাষকান্তি মন্ডল (বাবা নগেন্দ্রনাথ মন্ডল ও মা রাধারানী মন্ডলের স্মৃতিতে) ২০০ টি পরিবারকে রিচার্জেবল টর্চ লাইট প্রদান করলে। এছাড়া পূর্ব পাঁচুড়িয়া,পশ্চিম পাঁচুড়িয়া,নানকার গোবিন্দপুর, ওয়াশীলচক,  উত্তর থানাবেড়্যা, দক্ষিণ থানাবেড়্যা, খেজুরী গ্রামে আমপান ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্হ পরিবারগুলির হাতে কিছু শুকনো খাবারের প্যাকেট বিতরণ করা হলো। মিডনাপুর ডট ইনের পক্ষে  সম্পাদক অরিন্দম ভৌমিক ছাড়াও সুদর্শন সেন, পার্থ দে, রাজকুমার দাস, জ্যোর্তিময় খাটুয়া, দীনেন্দু মান্না এই বিনামূল্যে জন আহার ও দু:স্থ মৎসজীবীদের ৭ দিনের শুকনো খাবারের প্যাকেট এবং ইমারজেন্সি লাইট বিতরণ কর্মসূচীটি রূ...

ছড়াতে পারে ক্যানসারও! বাতাসে দূষণ ছড়াচ্ছে পার্থেনিয়াম

  Khejuri Live:  করোনা আবহে পরিবেশবিদদের দুশ্চিন্তার কারন হয়ে উঠেছে "পার্থেনিয়াম"। নাম অজানা হলেও বিষাক্ত এই গাছটি সকলের চোখে পড়ে। রাজ্যের এমন কোনও জায়গা খুঁজে পাওয়া যাবে না যেখানে পার্থেনিয়াম নেই। পার্থেনিয়াম ক্ষতিকারক বিষাক্ত আগাছা। পার্থেনিয়ামের ফুল থেকে বিষ ছড়াচ্ছে পরিবেশে। করোনার পাশাপাশি পার্থেনিয়ামের হাত থেকে বাঁচতে ব্যাবহার করা উচিত মাস্ক। বাতাস এবং জলের মধ্যমে পার্থেনিয়াম ফুলের রেনু পৌঁছায় মানবদেহে। যা থেকে হতে পারে হাঁপানি, ক্যানসারও। লকডাউনের জেরে বন্ধ কল-কারখানা, যানবাহন। পরিবেশ এখন ধোঁয়া, ধুলো, দূষণহীন। পার্থেনিয়াম আগাছার ফুলের রেণু শ্বাস-প্রশ্বাসের মাধ্যমে পৌঁছতে পারে মানব ফুসফুসে। দশ মিটার দূর থেকেও পার্থেনিয়াম ফুলের রেণু মানুষের এলার্জি, হাঁপানি রোগ সৃষ্টি করতে পারে। চিকিৎসাবিদদের মতে ফুলের রেণুতে থাকে ক্যালসিয়াম ক্রিস্টাল জাতীয় এক ধরনের উপাদান। এই রেনু ত্বকে ক্যানসারও সৃষ্টি করতে পারে। শুধু মানুষ নয়, এর ফলে গবাদি পশু, ফসলেরও ক্ষতি হয়। পরিবেশবিদদের মতে পার্থেনিয়াম গাছ বাঁচে ৩-৪ মাস। এই সময়ের মধ্যেই তিনবার ফুল ও বীজ হয়। ৫-২৫ হাজার বীজ উৎপাদনে সক্ষম এক একটি গাছ।...

ভগবানপুরে উপপ্রধানের হুঙ্কার! ভাইরাল ভিডিও ঘিরে জেলাজুড়ে রাজনৈতিক চাপানউতর

  Khejuri Live:     "অন্য দলকে সমর্থন করবে, তৃণমূল থেকে সাহায্য নেবে, এটা রামকৃষ্ণ মিশন নয়"। এটা কোনও নীতিকথা নয়, এটা উপপ্রধানের কথা। এমনই বক্তব্যের ভাইরাল ভিডিও ঘিরে জেলাজুড়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতর। পূর্ব মেদিনীপুর জেলার ভগবানপুর-১ ব্লকের শিমুলিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের ঘটনাকে ঘিরে শুরু হয়েছে তৃণমূল-বিজেপি তর্জা। বিজেপি দলের সমর্থক হওয়ায় জব কার্ড মিলবে না বলে সাফ জানিয়ে দিলেন শিমুলিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান দীপ্তেন্দু মাইতি। গত মঙ্গলবার শিমুলিয়া গ্রামের মানুষ ১০০দিনের কাজের জন্য জবকার্ডের আবেদন করতে গিয়েছিলেন পঞ্চায়েত দপ্তরে। অভিযোগকারী বাসুদেব পট্টনায়েক বিজেপি সমর্থক হওয়ায় তাঁর স্ত্রী কে জব কার্ড দেওয়া হবে না বলা হয়। পরে বাসুদেব পট্টনায়েক পঞ্চায়েত দপ্তরে যান। অভিযোগ উপপ্রধান দীপ্তেন্দু মাইতি শিমুলিয়া গ্রাম পঞ্চায়েত দপ্তরে বসেই সিগারেটে টান দিতে দিতে বাসুদেব পট্টনায়েককে হুমকি দেন। কোনও জব কার্ড করে দেওয়া হবে না। যেখানে খুশি অভিযোগ জানান। বুধবার সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয় ভিডিওটি৷ ভাইরাল ভিডিওতে দেখা গিয়েছে উপপ্রধানের এমনই বক্তব্য। তাঁর কথায়, অন্য দল করবে আর সুবিধা...

হলদিয়ায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচী।

রাজেশ শাসমল, হলদিয়াঃ  বিধ্বংশী ঘূর্ণিঝড় আমফান এর প্রভাবে হলদিয়া শহর জুড়ে হারিয়ে যাওয়া সবুজ ফেরাতে নতুন করে বৃক্ষরোপণ করছে হলদিয়া এস সি,এস টি,অ‍্যান্ড ও.বি.সি সমাজ কল‍্যাণ সমিতি।আজ ওই সংগঠনের পক্ষ থেকে হলদিয়া রঘুনাথচক এলাকায় আকাশবানী,দেবদারু,মেহগিনি,লম্বু সহ প্রভৃতি গাছ লাগানো হয়।সহযোগিতা করে স্থানীয় বন্ধন ক্লাব।হলদিয়ার বিভিন্ন জায়গায় এই সংগঠন গাছ লাগায় ও গাছ রক্ষনাবেক্ষণ করেন।ওই সংগঠনের সভাপতি পেশায় স্কুল শিক্ষক ও পরিবেশ কর্মী রামপ্রসাদ দাস ছাড়াও কবি-সাহিত‍্যিক প্রাণনাথ শেঠ,হরিপদ নস্কর,সুকুমার শেঠ, প্রমুখরা সহযোগিতা করেন। সংগঠনের সভাপতি রামপ্রসাদ দাস বলেন আমাদের লক্ষ্য - নতুন করে চারা রোপণ করা।চারাগাছ লাগানোয় উৎসাহ দান ও দূষণ প্রতিরোধে সহায়তা করা।এজন্যই আমাদের এই কর্মসূচী।কারণ পরিবেশ কে সুস্থ রাখতে হলে গাছ লাগাতে হবে।

খেজুরিতে বিদ্যুতস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু যুবকের

Khejuri Live:  বিদ্যুতস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু হল যুবকের। জানাগিয়েছে মৃতের নাম রামকৃষ্ণ মন্ডল(২৮)। মৃতের বাড়ি খেজুরি-২  ব্লকের কশাড়িয়ায়। বৃহস্পতিবার বাড়ির টেলিভিশন থেকেই বিদ্যুতস্পৃষ্ট হন ওই যুবক। তারপর স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে গেলে হাসপাতালকর্তৃপক্ষ মৃত ঘোষনা করেন।   

দুঃস্থ ও অসহায় মানুষের পাশে বঙ্গীয় আর্য সমাজ।

রাজেশ শাসমল, হলদিয়াঃ  করোনা ও আমফান এর জোড়া ধাক্কায় পীড়িত বাংলার দূর্দশাগ্ৰস্থ মানুষদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে দিতে পাশে এসে দাঁড়ালো বঙ্গীয় আর্য সমাজ।গ্ৰাম থেকে শহর, জেলা থেকে রাজ‍্য সর্বত্র জায়গায় দুঃস্থ ও অসহায় মানুষের হাতে কখনো খাদ‍্য সামগ্ৰী,কখনো রান্না করা খাবার।আবার বিধ্বংশী ঘূর্ণিঝড় আমফান এর জেরে ক্ষতিগ্ৰস্থ মানুষের হাতে ত্রিপল ও উপকূলবর্তী সর্বহারা মানুষের হাতে নগদ অর্থ তুলে দিয়েছে আর্য সমাজ পরিবারের সদস‍্যরা।বর্তমান পরিস্থিতিতে কয়েক হাজার মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে এই পরিবার।এর পাশাপাশি করোনা সংক্রমণের জেরে লকডাউন ও ভয়ঙ্কর আমফানের তান্ডবে রাজ‍্যের বেশ কিছু ক্ষতিগ্ৰস্থ পরিবারকে ইতিমধ‍্যেই চিহ্নিত করেছে যাদের করোনা ও আমফান উভয় এর কোপে পড়ে খুব কঠিন অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে তাদের স্বাভাবিক ছন্দে ফিরিয়ে দেওয়ার জন‍্য যাবতীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।তাদের লক্ষ‍্য এই বিপদের সময়ে মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে কিছুটা সাহায‍্য করা।তাদের এই কর্মপ্রয়াসে সাহায‍্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে "ডলার ইন্ড্রাস্ট্রি" এই সমাজের প্রধান পৃষ্টপোষক দীনদয়াল গুপ্ত ও উপমন্ত্রী যোগেশ শাস্ত্রীর ত...

খেজুরিতে অভিনেতা অনির্বান ভট্টাচার্যের সাহায্য প্রদান

Khejuri Live: গত বুধবার খেজুরিতে দুস্থদের সাহায্য প্রদান করলেন অভিনেতা ও পরিচালকরা। অভিনেতা অনির্বাণ ভট্টাচার্য এবং চিত্রপরিচালক জয়রাজ ভট্টাচার্য সহ অন্যান্য অভিনেতা-অভিনেত্রীরা খেজুিরর মানুষের পাশে সাহায্যেরহাত বাড়ালেন।   খেজুির হেঁড়িয়া,নিজকসবা এলাকায় আমফান ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষদের হাতে ত্রিপল ও খাদ্যসামগ্রী  তুলে দিলেন অভিনেতা অনির্বান ভট্টাচার্য।   অভিনেতা পরিচালকদের সাথে ছিলেন সিপিআইএমের রাজ্য কমিটির সদস্য তথা খেজুরির সিপিএম নেতা হিমাংশু দাস। এদিন প্রায় ৫০০জন মানুষকে সাহায্যপ্রদান করা হয়। 

বই পাওয়া যাবে? ময়নার ছাত্রের ফোন শিক্ষক অরিন্দম ও তথ্যকর্মী শমীককে

Khejuri Live:  বিজ্ঞানের বই পাওয়া যাবে? যেমন ধরুন গণিত, পদার্থবিদ্যা, রসায়ন বিদ্যার বই। পুরনো হলে চলবে। কত দাম লাগবে। কবে পাওয়া যাবে। ময়না থেকে খেজুরিতে এমনই ফোন এল দশম শ্রেণীর ছাত্র সর্বদীপ ভৌমিকের। পত্রিকা দেখে সর্বদীপ জেনেছিলেন খেজুরি হিন্দু মিলন মন্দির পাঠাগার থেকে পড়ার বই দেওয়া হচ্ছে।  হাজারো প্রশ্ন ছিল ময়নার   সর্বদীপ ভৌমিক এর। ময়নার  উত্তর চংরাচক গ্রামের বাসিন্দা সর্বদীপ। দাদু পরমানন্দপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রাক্তন সদস্য  শশাঙ্ক ভৌমিক। সর্বদীপ নেফ্রাইটিস রোগে আক্রান্ত। সে নিজে বই খুঁজে বেড়াচ্ছে বিজ্ঞান পড়ার জন্য। লকডাউনের বাজারে দোকানে বই নেই। এলাকা থেকে পাওয়া যায়নি। পছন্দের শিক্ষক দুরে বাড়ি হওয়ার দরুন বই দিতে পারছেন না। ফোনালাপের শিক্ষক অরিন্দম মাইতি ও তথ্যকর্মী সমীক পন্ডা হাজির হন সর্বদীপের বাড়ি। শশাঙ্ক ভৌমিকের কথায় জমি বিক্রি করে রাজনীতি করতে করতে পরিবারের দিকে নজর দিই নি। যারফলে আজকে আমাকে বই খুঁজে বেড়াতে হচ্ছে। তবে তিনি ভীষন খুশি হয়ে বলেন, শুভেন্দু অধিকারীর এলাকার বাসিন্দা আপনারা। আপনাদের মানবিক পরিচয়ে ভীষণ খুশি হলাম। সর্বদীপকে বই দিয়ে সাহায্য...

তালপাটি খালের পাড়ে খেজুরি-নন্দীগ্রামের পাশে নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশন আবাসিক মহাবিদ্যালয়ের প্রাক্তনী ও স্থানীয়দের সাহায্য

Khejuri Live : সর্বনাশা আমফান বাদ-বিচার করেনি। খেজুরি এবং নন্দীগ্রামের বিস্তীর্ণ এলাকা ঘূর্ণিঝড়ে ধ্বংস হয়ে গিয়েছে। রবিবার  কয়েকশো ক্ষতিগ্রস্ত মানুষ পারস্পরিক দূরত্ব রেখে তালপাটি খালের পাড়ে দাঁড়িয়ে। সেতুর উপরে ছোট্ট একটি মাইকে বাজছে 'আমরা করব জয়।' বহু বছর আগের শত্রুতা ভুলে দুই পারের মানুষ পরস্পরের কাঁধে মাথা রাখছেন। কেউ বলছেন আমার পানের বরোজ আর নেই। কেউ বলছেন, গাছ পড়ে পুকুরের সব মাছ শেষ। কারো কথায়, খড়ের চাল-মাটির বাড়ি ধ্বংস হয়ে গিয়েছে। কেউ বা চোখের জলে জানাচ্ছেন, বাড়ির টিনের ছাউনি কোথায় গিয়ে পড়েছে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। বিধ্বংসী ঝড়ে সর্বনাশা হয়ে যাওয়া দুই পাড়ের মানুষ নিজেদের দুঃখ ভাগ করে নিচ্ছেন।  আপাত অসম্ভব এই সহমর্মিতার ছবি দেখা গেল নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশন আবাসিক মহাবিদ্যালয়ের প্রাক্তনীদের সৌজন্যে। খেজুরির এক এবং দুই নম্বর ব্লকে কয়েকশো পরিবারের জন্য খাদ্য সামগ্রী, ত্রিপল এবং নতুন কাপড় নিয়ে তাঁরা হাজির। প্রথম শিবির হয় কসাড়িয়া স্কুলের মাঠে। খেজুরি দু'নম্বর ব্লক এর বিডিও রম‍ল সিং বির্দি নিজে খাবার তুলে দেন পরিবারগুলির হাতে। সঙ্গে বিতরণ করেন মাস্ক...