Skip to main content

এক দশক পর খুলল সিপিআইএম পার্টি অফিস, বিজেপি, তৃণমূলের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের আহ্বান




Khejuri Live: এক দশক পরে জনকা সুকুমার সেনগুপ্ত ভবন উদ্বোধন করল সিপিআইএম নেতৃত্ব। নিজেদের পার্টি অফিস চালু করার জন্য সাধ্যমতো সাহায্য, সহযোগিতা করে অফিসটি সাজিয়ে তোলেন সমর্থক ও কর্মীরা। শুক্রবার  ২০ শে নভেম্বর ১১ বছর পর খেজুরি-২ ব্লকের জনকা সুকুমার সেনগুপ্ত ভবনটি উদ্বোধন করলেন সিপিআই(এম ) রাজ্য কমিটির সদস্য হিমাংশু দাস ।হিমাংশু দাস বলেন, ২০০৯সালের পর থেকে খেজুরির  প্রায় দেড়শরও বেশি সিপিআইএম পার্টি অফিস ভাঙচুর করে পুড়িয়ে দিয়েছিল বর্তমান শাসক দল। খেজুরির সাধারণ মানুষের উপর অত্যাচার করে চলেছে আজও। ঘরছাড়া হতে হয়েছিল বাম নেতা কর্মীদের। সেই সব ঘটনা খেজুরির মানুষ ভুলতে পারেনি। শুক্রবার পার্টি অফিস উদ্বোধন অনুষ্ঠানে  উপস্থিত ছিলেন সিপিআইএম কর্মী সমর্থক সহ নেতৃত্বরা। জনকা,নিজকশবা অঞ্চলের কর্মী সমর্থকগন জনকা পার্টি অফিস থেকে কাজ কর্মের সঙ্গে যুক্ত হবেন। প্রথমে পার্টির রক্ত পতাকা উত্তোলন করে, শহীদ বেদীতে মাল্যদানের পর পার্টি অফিসের উদ্বোধন  করেন  হিমাংশু দাস, 

উপস্থিত ছিলেন খেজুরি এরিয়া কমিটি সম্পাদক মৃন্ময় মাইতি, স্বদেশ মাইতি, অতুল্য উকিল ,প্রদীপ মণ্ডল, শেখ মহরম, সিদ্ধার্থ দাস, বিপদভঞ্জন দাস, বিশ্বজিৎ  দিন্দা, সন্তোষ বারুই, নন্দ দাস, উত্তম দোলাই, শেখ খালেক, কল্পনা মন্ডল, অম্লান পাত্র সহ এলাকার শাখা সম্পাদক, পার্টির সদস্য, সমর্থকগন। অফিস খোলার সাথে সাথে জনকা,নিজকশবা অঞ্চলের কনভেনশন অনুষ্ঠিত হয়। সভাপতিত্ব করেন জেলা কমিটির সদস্যা প্রতিমা মন্ডল। দুটি অঞ্চল মিলে ৪৮ টি  বুথের বুথ কনভেনারগন উপস্থিত ছিলেন। আগামী ২৬শে নভেম্বর সারা দেশব্যাপী ধর্মঘট সফল করে তোলার জন্য কনভেনশনে আলোচনা হয়। ২০০৬ সাল থেকে খেজুরিতে তৃণমূল দুষ্কৃতকারীদের হাতে ১৬জন কমরেডের প্রাণ গিয়েছে।তাদের স্মরণ করে এদিনের সভা শুরু হয়। আগামী দিনের লড়াই, আন্দোলনকে শক্তিশালী করতে গ্রামে, গ্রামে, অঞ্চলে, অঞ্চলে ব্যাপক প্রচারের মধ্য দিয়ে তৃণমূল ,বিজেপিকে খেজুরির মাটিতে পরাস্ত করার আহ্বান জানান নেতৃত্বগন।

Comments

Popular posts from this blog

বাড়ি থেকে স্নান করতে বেরিয়ে আর ফেরা হল না, পুকুর থেকে উদ্ধার যুবকের দেহ

Khejuri Live নিজস্ব সংবাদদাতা, খেজুরী: বাড়ি থেকে স্নান করতে বেরিয়েছিলেন ২৬ বছরের যুবক শিবশঙ্কর মাইতি। কিন্তু আর বাড়ি ফেরা হল না। দীর্ঘ প্রায় একদিনের তল্লাশির পর অবশেষে শুক্রবার সকালে বিদ্যালয়ের পুকুর থেকেই উদ্ধার হল তাঁর নিথর দেহ। এই মর্মান্তিক ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার খেজুরী এলাকার অজয়া গ্রামে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, অজয়া গ্রামের বাসিন্দা রবিন মাইতির ছেলে শিবশঙ্কর মাইতি বৃহস্পতিবার দুপুরে বাড়ি থেকে কিছুটা দূরে অবস্থিত অজয়া অন্নদা বিদ্যামন্দির উচ্চ বিদ্যালয়ের পুকুরে স্নান করতে যান। দীর্ঘ সময় কেটে গেলেও তিনি বাড়ি না ফেরায় পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। তল্লাশির সময় বিদ্যালয়ের পুকুরঘাটে শিবশঙ্করের জুতো, গামছা ও সাবান পড়ে থাকতে দেখা যায়। এরপরই আশঙ্কা করা হয়, তিনি পুকুরের জলে তলিয়ে গিয়েছেন। এলাকার বাসিন্দারা দুপুর থেকেই পুকুরে নেমে খোঁজ শুরু করেন। পাশাপাশি মেশিন বসিয়ে পুকুরের জল কমানোর কাজও শুরু হয়। কিন্তু রাত ৭টা পর্যন্ত কোনও সন্ধান মেলেনি। ঘটনার খবর দেওয়া হলে খেজুরী থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। পরে এনডিআরএফের ডুবুরি...

রেজিষ্ট্রেশন ছাড়া চলবে না টোটো, কড়াকড়ি নিয়ম রাজ্য সরকারের।

Khejuri Live: পশ্চিমবঙ্গে রেজিস্ট্রেশন ছাড়া আর চলবে না টোটো — নতুন নীতিতে কড়াকড়ি আনল রাজ্য সরকার রাজ্যের রাস্তায় আর অনিয়ন্ত্রিতভাবে টোটো চলাচল করা যাবে না। পশ্চিমবঙ্গ সরকার এবার টোটোচালকদের জন্য আনছে কঠোর নিয়ম। নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, রেজিস্ট্রেশন ছাড়া কোনো টোটো আর চলতে পারবে না। রাজ্যজুড়ে সমস্ত ব্যাটারি চালিত তিন চাকার যানবাহনকে আনতে হবে সরকারের নির্দিষ্ট ডাটাবেসের আওতায়। রেজিস্ট্রেশন বাধ্যতামূলক ঘোষণা রাজ্য পরিবহন দপ্তরের সূত্রে জানা গিয়েছে, “Temporary Toto Enrolment Number (TTEN)” নামে একটি বিশেষ ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন ব্যবস্থা চালু করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে প্রত্যেক টোটোর জন্য একটি ইউনিক নম্বর জারি করা হবে। এই নম্বর ছাড়াই আর কোনো টোটো রাস্তায় নামলে সেটিকে অবৈধ বলে গণ্য করা হবে। ভবিষ্যতে QR কোডযুক্ত নম্বরপ্লেটও লাগানো বাধ্যতামূলক করা হবে। কেন এই সিদ্ধান্ত? বিগত কয়েক বছরে টোটোর সংখ্যা রাজ্যজুড়ে কয়েক লক্ষে পৌঁছেছে। অনেক জায়গায় রুট নির্ধারণ ছাড়াই অনিয়ন্ত্রিতভাবে টোটো চলাচল করছে, যা ট্রাফিক জট, দুর্ঘটনা ও নিরাপত্তা সমস্যার কারণ হয়ে উঠেছে। জানা যায়, “রাজ্যের প্রায় ৪ লক্ষেরও বেশি টো...

মৎস্যজীবী পরিবারের যাদব থেকে ড. যাদব মাঝি হয়ে ওঠার অনুপ্রেরণা আপনাকেও নিঃসন্দেহে উজ্জীবিত করবে।

মৎস্যজীবী পরিবারের যাদব থেকে গবেষক ড. যাদব মাঝি হয়ে ওঠার অনুপ্রেরণা আপনাকেও নিঃসন্দেহে উজ্জীবিত করবে।  Khejuri Live: আর্থিক অভাবে বই ফেলে সমুদ্রে মাছ ধরতে যাওয়া ছেলেটি আজ গবেষক।  সুদূর কানাডা, আমেরিকায় পড়াশোনা, গবেষনা করে এখন ভারতের সেরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আইআইটির অন্যতম ধানবাদ আইআইটির প্রফেসর পদে যোগ দিতে চলেছেন তিনি। প্রফেসর পদে যোগ দেওয়ার জন্য নিয়োগ পত্র হাতে পেয়েছেন যাদব মাঝি। রঘুসর্দারবাড় জালপাই ও শৌলার দরিদ্র মৎস্যজীবী মানুষদের কাছে ড. যাদব মাঝির লড়াই গর্ব ও অহংকারের। সালটা ছিল ২০০৮, নয়াপুট সুধীরকুমার হাই স্কুল থেকে মাধ্যমিক পরীক্ষায় ৮৬.২৫ শতাংশ নাম্বার পেয়ে বিদ্যালয়ের সেরা হয় যাদব। মাধ্যমিকের সাফল্য পেলেও আর্থিক অভাব অনটনের কারনে স্কুলছুট হতে হয় যাদব কে। সদ্য বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক হিসেবে নিযুক্ত হয়েছেন বসন্তকুমার ঘোড়াই। বিদ্যালয়ের সেরা ছাত্র একাদশ শ্রেনিতে ভর্তি না হওয়ায় খোঁজ নেন। সহ-শিক্ষক সন্দীপ কুমার জানাকে সাথে নিয়ে মোটর বাইকে যাদবের বাড়ি পৌঁছান তিনি। যাদবের বাড়ি গিয়ে যাদবের বাবা লঙ্কেশ্বর বাবুর মুখে শুনলেন, যাদব মাছ ধরতে গিয়েছে আসতে দেরি হবে। দীর্...