Skip to main content

২৬শে নভেম্বর ধর্মঘট সমর্থনের ডাক বামেদের, "ভুল ভাঙছে খেজুরিবাসীর" দাবি সিপিএমের


Khejuri Live: ভারতের গণতান্ত্রিক যুব ফেডারেশনের ৪০বছর পূর্তি উদযাপন অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হল হেঁড়িয়াতে। মম্গলবার হেঁড়িয়া আঞ্চলিক কমিটির ডাকে হেঁড়িয়া সুকুমার সেনগুপ্ত ভবনে যুব কনভেনশন অনুষ্ঠিত হয়। সাধারণ জনজীবনের জ্বলন্ত সমস্যা গুলি সমাধানের দাবি জানিয়ে বামেদের দশটি কেন্দ্রীয় শ্রমিক সংগঠন সহ  কৃষক, ক্ষেত মজুর ছাত্র ,যুব, মহিলা,  সহ সমস্ত সংগঠনগুলির যৌথ আহ্বানে আগামী ২৬ শে নভেম্বর,২০২০ সর্বভারতীয় ধর্মঘট সফল করার ডাক দিয়ে হেঁড়িয়াতে মিছিল করেন বামেরা । নেতৃত্ব দেন জেলা সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য তাপস মিশ্র, ঝাড়েশ্বর বেরা, হেঁড়িয়া আঞ্চলিক কমিটির সম্পাদক অতনু রায়, সভাপতি শেখ শাকিল প্রমূখ নেতৃত্ব গন। মিছিলের পর হেঁড়িয়াতে কনভেনশন হয়। সিপিএম নেতা হিমাংশু দাসে বলেন আগামী দিনে শিক্ষিত বেকার যুবক যুবতীদের ভবিষ্যত অন্ধকার।

 বিজেপি ২০১৪ সালে "প্রতিবছর দু'কোটি চাকরির প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্ষমতায় এসেছিলেন মোদি সরকার কথা রাখেনি, আজ তারা শিক্ষিত বেকার যুবক-যুবতী সহ শ্রমজীবী মানুষ, এমনকি পরিযায়ী শ্রমিকদের থেকে মুখ ঘুরিয়ে নিয়েছে। দেশ ও দেশের মানুষ আজ বিপন্ন তাই আগামী ২৬ শে নভেম্বর এর ধর্মঘট সফল করার ডাক দিয়ে কনভেনশনে উপস্থিত নেতৃত্বগণ বক্তব্য রাখেন এবং ধর্মঘট সফল করার জন্য একগুচ্ছ কর্মসূচি  কনভেনশনে যুব নেতৃত্বগন গ্রহণ করেন। খেজুরিতে এখন মানুষের ভুল ভাঙছে। তাই দলে দলে মানুষ আসছেন লাল ঝান্ডা হাতে নিয়ে। প্রতিবাদে প্রতিরোধে সামিল হচ্ছেন খেজুরি বলেই দাবি হিমাংশু দাসের। তিনি আরও বলেন, আগামী দিনে শত শহীদের রক্তে রাঙা খেজুরি, নন্দীগ্রামের মানুষ আবার ঘুরে দাঁড়াবার শপথ গ্রহণ করছে।

Comments

  1. আপনাদের মতামত অবশ্যই জানান

    ReplyDelete

Post a Comment

Khejuri Live -এ আপনাকে স্বাগত জানাই। আপনার নজরে আসা খবর, ঘটনা জানতে পারেন আমাদের। আমাদের সাথে থাকার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। আমাদের উৎসাহ দিতে পেজটি লাইক ও পোস্ট শেয়ার করবেন।
খবর জানাতে পারেন হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বার 7872144541 এ, এছাড়াও করতে পারেন মেল- dasbhishmadev@gmail.com

Popular posts from this blog

বাড়ি থেকে স্নান করতে বেরিয়ে আর ফেরা হল না, পুকুর থেকে উদ্ধার যুবকের দেহ

Khejuri Live নিজস্ব সংবাদদাতা, খেজুরী: বাড়ি থেকে স্নান করতে বেরিয়েছিলেন ২৬ বছরের যুবক শিবশঙ্কর মাইতি। কিন্তু আর বাড়ি ফেরা হল না। দীর্ঘ প্রায় একদিনের তল্লাশির পর অবশেষে শুক্রবার সকালে বিদ্যালয়ের পুকুর থেকেই উদ্ধার হল তাঁর নিথর দেহ। এই মর্মান্তিক ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার খেজুরী এলাকার অজয়া গ্রামে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, অজয়া গ্রামের বাসিন্দা রবিন মাইতির ছেলে শিবশঙ্কর মাইতি বৃহস্পতিবার দুপুরে বাড়ি থেকে কিছুটা দূরে অবস্থিত অজয়া অন্নদা বিদ্যামন্দির উচ্চ বিদ্যালয়ের পুকুরে স্নান করতে যান। দীর্ঘ সময় কেটে গেলেও তিনি বাড়ি না ফেরায় পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। তল্লাশির সময় বিদ্যালয়ের পুকুরঘাটে শিবশঙ্করের জুতো, গামছা ও সাবান পড়ে থাকতে দেখা যায়। এরপরই আশঙ্কা করা হয়, তিনি পুকুরের জলে তলিয়ে গিয়েছেন। এলাকার বাসিন্দারা দুপুর থেকেই পুকুরে নেমে খোঁজ শুরু করেন। পাশাপাশি মেশিন বসিয়ে পুকুরের জল কমানোর কাজও শুরু হয়। কিন্তু রাত ৭টা পর্যন্ত কোনও সন্ধান মেলেনি। ঘটনার খবর দেওয়া হলে খেজুরী থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। পরে এনডিআরএফের ডুবুরি...

রেজিষ্ট্রেশন ছাড়া চলবে না টোটো, কড়াকড়ি নিয়ম রাজ্য সরকারের।

Khejuri Live: পশ্চিমবঙ্গে রেজিস্ট্রেশন ছাড়া আর চলবে না টোটো — নতুন নীতিতে কড়াকড়ি আনল রাজ্য সরকার রাজ্যের রাস্তায় আর অনিয়ন্ত্রিতভাবে টোটো চলাচল করা যাবে না। পশ্চিমবঙ্গ সরকার এবার টোটোচালকদের জন্য আনছে কঠোর নিয়ম। নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, রেজিস্ট্রেশন ছাড়া কোনো টোটো আর চলতে পারবে না। রাজ্যজুড়ে সমস্ত ব্যাটারি চালিত তিন চাকার যানবাহনকে আনতে হবে সরকারের নির্দিষ্ট ডাটাবেসের আওতায়। রেজিস্ট্রেশন বাধ্যতামূলক ঘোষণা রাজ্য পরিবহন দপ্তরের সূত্রে জানা গিয়েছে, “Temporary Toto Enrolment Number (TTEN)” নামে একটি বিশেষ ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন ব্যবস্থা চালু করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে প্রত্যেক টোটোর জন্য একটি ইউনিক নম্বর জারি করা হবে। এই নম্বর ছাড়াই আর কোনো টোটো রাস্তায় নামলে সেটিকে অবৈধ বলে গণ্য করা হবে। ভবিষ্যতে QR কোডযুক্ত নম্বরপ্লেটও লাগানো বাধ্যতামূলক করা হবে। কেন এই সিদ্ধান্ত? বিগত কয়েক বছরে টোটোর সংখ্যা রাজ্যজুড়ে কয়েক লক্ষে পৌঁছেছে। অনেক জায়গায় রুট নির্ধারণ ছাড়াই অনিয়ন্ত্রিতভাবে টোটো চলাচল করছে, যা ট্রাফিক জট, দুর্ঘটনা ও নিরাপত্তা সমস্যার কারণ হয়ে উঠেছে। জানা যায়, “রাজ্যের প্রায় ৪ লক্ষেরও বেশি টো...

মৎস্যজীবী পরিবারের যাদব থেকে ড. যাদব মাঝি হয়ে ওঠার অনুপ্রেরণা আপনাকেও নিঃসন্দেহে উজ্জীবিত করবে।

মৎস্যজীবী পরিবারের যাদব থেকে গবেষক ড. যাদব মাঝি হয়ে ওঠার অনুপ্রেরণা আপনাকেও নিঃসন্দেহে উজ্জীবিত করবে।  Khejuri Live: আর্থিক অভাবে বই ফেলে সমুদ্রে মাছ ধরতে যাওয়া ছেলেটি আজ গবেষক।  সুদূর কানাডা, আমেরিকায় পড়াশোনা, গবেষনা করে এখন ভারতের সেরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আইআইটির অন্যতম ধানবাদ আইআইটির প্রফেসর পদে যোগ দিতে চলেছেন তিনি। প্রফেসর পদে যোগ দেওয়ার জন্য নিয়োগ পত্র হাতে পেয়েছেন যাদব মাঝি। রঘুসর্দারবাড় জালপাই ও শৌলার দরিদ্র মৎস্যজীবী মানুষদের কাছে ড. যাদব মাঝির লড়াই গর্ব ও অহংকারের। সালটা ছিল ২০০৮, নয়াপুট সুধীরকুমার হাই স্কুল থেকে মাধ্যমিক পরীক্ষায় ৮৬.২৫ শতাংশ নাম্বার পেয়ে বিদ্যালয়ের সেরা হয় যাদব। মাধ্যমিকের সাফল্য পেলেও আর্থিক অভাব অনটনের কারনে স্কুলছুট হতে হয় যাদব কে। সদ্য বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক হিসেবে নিযুক্ত হয়েছেন বসন্তকুমার ঘোড়াই। বিদ্যালয়ের সেরা ছাত্র একাদশ শ্রেনিতে ভর্তি না হওয়ায় খোঁজ নেন। সহ-শিক্ষক সন্দীপ কুমার জানাকে সাথে নিয়ে মোটর বাইকে যাদবের বাড়ি পৌঁছান তিনি। যাদবের বাড়ি গিয়ে যাদবের বাবা লঙ্কেশ্বর বাবুর মুখে শুনলেন, যাদব মাছ ধরতে গিয়েছে আসতে দেরি হবে। দীর্...