Skip to main content

একটা শাড়ি! ভিজে গেলেও পরতে হয়- কষ্ট করেই চলছে বললেন খেজুরির মৎস্যজীবী মহিলা। সাহায্যের হাত বিধায়কের


Khejuri Live:  দুটো শাড়ির একটা ছেঁড়া, একটা শাড়ি একটু ভালো আছে। বর্ষাকালে ভালো শাড়িটা ভিজে গেলেই সমস্যা। কখনও ভিজে কাপড়টাই পরে দিন কাটাতে হচ্ছে। অভাবের সংসার, মাছ ধরতে যাওয়া তো এখন নিষেধ। যেটুকু ইনকাম হয় তা দিয়ে কোনওরকম সংসারটা চলছে। শাড়ি কিনবার পয়সা কোথায়? খেজুরির এক মৎস্যজীবী মহিলা দুঃখের সাথে জানালেন বাস্তব জীবনের কথা। বিপর্যয়টা শুরু হয়েছিল মার্চ মাসের শেষ থেকে। করোনা সংক্রমণ তখন শুরু হয়েছে। আর লকডাউনও। তখনও সব ঠিকঠাক ছিল। নতুন করে এল আমফান ঘুর্ণিঝড়। ধ্বংস করে দিয়েছিল সবকিছু। তখন থেকে সাময়িক বন্ধ হয়েছিল সমুদ্রে যাওয়া, বন্ধ হয়েছিল মৎস্য আহরণ। তারপর থেকে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়নি বারে বারে নিম্নচাপের ফলে সমুদ্রে যাওয়া যায়নি। অসময়ের দিনে পাশে দাঁড়িয়েছেন বহু স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা। খাদ্যসামগ্রী থেকে বস্ত্র, শিশুদের জন্য পাণীয় দুধ দিয়েছেন তাঁরা। প্রসঙ্গত খেজুরি-২ ব্লকের নিজকসবা মৎস্য খটি পরিবারগুলির পাশে দাঁড়িয়েছেন খেজুরির বিধায়ক। খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দিয়েছেন তিনি। সোমবার সকালে খেজুরি-২ ব্লকের নিজকশবা মৎস্যখটিতে বস্ত্রদান কর্মসূচী করলেন বিধায়ক। খটি এলাকার ২০০জন  মহিলা মৎস্যজীবীকে বস্ত্রদান করেন তিনি। বিধায়ক রনজিত মন্ডল বলেন, আমি কেবলমাত্র জনপ্রতিনিধি হিসেবে সাহায্য করিনি। আমি আমার এলাকার মানুষের পাশে থাকার সবসময় চেষ্টা করি। এদিনের কর্মসূচীতে উপস্থিত ছিলেন খেজুরি-২ ব্লকের কনভেনর দেবাশীষ দাস, মৎস্য কর্মাধ্যক্ষ দেবব্রত মন্ডল, মৎসজীবি সংগঠনের নেতৃত্ব রাজকুমার পন্ডা, কাঁথি মহকুমা  মৎসজীবি সংগঠন সহসভাপতি রবীন্দ্রনাথ বর , কামারদা গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান বিশ্বনাথ মালিক প্রমুখ। পাশে থাকার জন্য খটির বাসিন্দাদের মুখে হাঁসি ফুটেছে। 

Comments

Popular posts from this blog

বাড়ি থেকে স্নান করতে বেরিয়ে আর ফেরা হল না, পুকুর থেকে উদ্ধার যুবকের দেহ

Khejuri Live নিজস্ব সংবাদদাতা, খেজুরী: বাড়ি থেকে স্নান করতে বেরিয়েছিলেন ২৬ বছরের যুবক শিবশঙ্কর মাইতি। কিন্তু আর বাড়ি ফেরা হল না। দীর্ঘ প্রায় একদিনের তল্লাশির পর অবশেষে শুক্রবার সকালে বিদ্যালয়ের পুকুর থেকেই উদ্ধার হল তাঁর নিথর দেহ। এই মর্মান্তিক ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার খেজুরী এলাকার অজয়া গ্রামে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, অজয়া গ্রামের বাসিন্দা রবিন মাইতির ছেলে শিবশঙ্কর মাইতি বৃহস্পতিবার দুপুরে বাড়ি থেকে কিছুটা দূরে অবস্থিত অজয়া অন্নদা বিদ্যামন্দির উচ্চ বিদ্যালয়ের পুকুরে স্নান করতে যান। দীর্ঘ সময় কেটে গেলেও তিনি বাড়ি না ফেরায় পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। তল্লাশির সময় বিদ্যালয়ের পুকুরঘাটে শিবশঙ্করের জুতো, গামছা ও সাবান পড়ে থাকতে দেখা যায়। এরপরই আশঙ্কা করা হয়, তিনি পুকুরের জলে তলিয়ে গিয়েছেন। এলাকার বাসিন্দারা দুপুর থেকেই পুকুরে নেমে খোঁজ শুরু করেন। পাশাপাশি মেশিন বসিয়ে পুকুরের জল কমানোর কাজও শুরু হয়। কিন্তু রাত ৭টা পর্যন্ত কোনও সন্ধান মেলেনি। ঘটনার খবর দেওয়া হলে খেজুরী থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। পরে এনডিআরএফের ডুবুরি...

রেজিষ্ট্রেশন ছাড়া চলবে না টোটো, কড়াকড়ি নিয়ম রাজ্য সরকারের।

Khejuri Live: পশ্চিমবঙ্গে রেজিস্ট্রেশন ছাড়া আর চলবে না টোটো — নতুন নীতিতে কড়াকড়ি আনল রাজ্য সরকার রাজ্যের রাস্তায় আর অনিয়ন্ত্রিতভাবে টোটো চলাচল করা যাবে না। পশ্চিমবঙ্গ সরকার এবার টোটোচালকদের জন্য আনছে কঠোর নিয়ম। নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, রেজিস্ট্রেশন ছাড়া কোনো টোটো আর চলতে পারবে না। রাজ্যজুড়ে সমস্ত ব্যাটারি চালিত তিন চাকার যানবাহনকে আনতে হবে সরকারের নির্দিষ্ট ডাটাবেসের আওতায়। রেজিস্ট্রেশন বাধ্যতামূলক ঘোষণা রাজ্য পরিবহন দপ্তরের সূত্রে জানা গিয়েছে, “Temporary Toto Enrolment Number (TTEN)” নামে একটি বিশেষ ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন ব্যবস্থা চালু করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে প্রত্যেক টোটোর জন্য একটি ইউনিক নম্বর জারি করা হবে। এই নম্বর ছাড়াই আর কোনো টোটো রাস্তায় নামলে সেটিকে অবৈধ বলে গণ্য করা হবে। ভবিষ্যতে QR কোডযুক্ত নম্বরপ্লেটও লাগানো বাধ্যতামূলক করা হবে। কেন এই সিদ্ধান্ত? বিগত কয়েক বছরে টোটোর সংখ্যা রাজ্যজুড়ে কয়েক লক্ষে পৌঁছেছে। অনেক জায়গায় রুট নির্ধারণ ছাড়াই অনিয়ন্ত্রিতভাবে টোটো চলাচল করছে, যা ট্রাফিক জট, দুর্ঘটনা ও নিরাপত্তা সমস্যার কারণ হয়ে উঠেছে। জানা যায়, “রাজ্যের প্রায় ৪ লক্ষেরও বেশি টো...

মৎস্যজীবী পরিবারের যাদব থেকে ড. যাদব মাঝি হয়ে ওঠার অনুপ্রেরণা আপনাকেও নিঃসন্দেহে উজ্জীবিত করবে।

মৎস্যজীবী পরিবারের যাদব থেকে গবেষক ড. যাদব মাঝি হয়ে ওঠার অনুপ্রেরণা আপনাকেও নিঃসন্দেহে উজ্জীবিত করবে।  Khejuri Live: আর্থিক অভাবে বই ফেলে সমুদ্রে মাছ ধরতে যাওয়া ছেলেটি আজ গবেষক।  সুদূর কানাডা, আমেরিকায় পড়াশোনা, গবেষনা করে এখন ভারতের সেরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আইআইটির অন্যতম ধানবাদ আইআইটির প্রফেসর পদে যোগ দিতে চলেছেন তিনি। প্রফেসর পদে যোগ দেওয়ার জন্য নিয়োগ পত্র হাতে পেয়েছেন যাদব মাঝি। রঘুসর্দারবাড় জালপাই ও শৌলার দরিদ্র মৎস্যজীবী মানুষদের কাছে ড. যাদব মাঝির লড়াই গর্ব ও অহংকারের। সালটা ছিল ২০০৮, নয়াপুট সুধীরকুমার হাই স্কুল থেকে মাধ্যমিক পরীক্ষায় ৮৬.২৫ শতাংশ নাম্বার পেয়ে বিদ্যালয়ের সেরা হয় যাদব। মাধ্যমিকের সাফল্য পেলেও আর্থিক অভাব অনটনের কারনে স্কুলছুট হতে হয় যাদব কে। সদ্য বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক হিসেবে নিযুক্ত হয়েছেন বসন্তকুমার ঘোড়াই। বিদ্যালয়ের সেরা ছাত্র একাদশ শ্রেনিতে ভর্তি না হওয়ায় খোঁজ নেন। সহ-শিক্ষক সন্দীপ কুমার জানাকে সাথে নিয়ে মোটর বাইকে যাদবের বাড়ি পৌঁছান তিনি। যাদবের বাড়ি গিয়ে যাদবের বাবা লঙ্কেশ্বর বাবুর মুখে শুনলেন, যাদব মাছ ধরতে গিয়েছে আসতে দেরি হবে। দীর্...