Skip to main content

স্কুলশিক্ষায় বড়সড় পরিবর্তন আনল কেন্দ্র, থাকবে না মাধ্যমিক। মাধ্যমিক সমতুল্য উচ্চ-মাধ্যমিক

স্কুলশিক্ষায় বড়সড় পরিবর্তন আনল কেন্দ্র



নয়া শিক্ষানীতির সৌজন্যে উঠে যাচ্ছে ১৯৬৮ সালে চালু হওয়া স্কুলশিক্ষার পুরোনো ১০+২ মডেল। এখন নতুন পদ্ধতি ফিরতে চলেছে স্কুল শিক্ষায়। ৫+৩+৩+৪ মডেল কার্যকর হবে বলে নয়া শিক্ষানীতিতে অনুমোদন দিয়েছে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা।

আগে ১০+২ মডেলে প্রাথমিক, উচ্চ প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যন্ত ধরা হত। নতুন শিক্ষানীতিতে উচ্চ মাধ্যমিকের ধারনা তুলে দেওয়া হচ্ছে। নতুন ব্যবস্থায় উচ্চ মাধ্যমিককে মাধ্যমিকস্তরে ধরা হচ্ছে। এখানে পড়ুয়াদের বয়স চারটি ভাবে ভাগ করা হয়েছে। ৩ থেকে ৪ বছর, ৮ থেকে ১১ বছর, ১১ থেকে ১৪ বছর, ১৪ থেকে ১৮ বছর পর্যন্ত পড়ুয়াদের শ্রেণি বিন্যাশ করা হয়েছে। প্রাক প্রাথমিকেও দু’টি ভাগে ভাগ করা হয়েছে। ৩ বছর পর্যন্ত গ্রেড-১, দু’বছরে গ্রেড-২। এর পর তিন বছর প্রস্তুতিমূলক স্তরের গ্রেড ধরা হয়েছে ৩,৪,৫ করে। পরের তিন বছরে উচ্চ প্রাথমিক স্তরে গ্রেড ধরা হয়েছে ৬,৭ ও ৮। সবশেষে চার বছরের মাধ্যমিকস্তর। দেওয়া হয়েছে ৯,১০,১১ ও ১২। এভাবেই ৫+৩+৩+৪ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

নয়া শিক্ষানীতিতে দশম শ্রেণি পর্যন্ত পরীক্ষা তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত স্কুলে ৮টি সেমিস্টার নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে কেন্দ্রের নীতিতে। দ্বাদশ শ্রেণিতে বোর্ডের পরীক্ষায় ৮টি সেমিস্টারের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। পদার্থবিদ্যা, রসায়নের মতো বিষয় নিয়ে পড়লেও ফ্যাশন ডিজাইনিংয়ে পড়ার সুযোগ দেওয়া হয়েছে কেন্দ্রীয় নয়া নীতিতে। নতুন জাতীয় শিক্ষানীতিতে গুরুত্বহীন হয়ে পড়েছে মাধ্যমিক। স্নাতকে অনার্স কোর্স চার বছর পর্যন্ত করা হয়েছে। এছাড়াও পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত মাতৃভাষা বা আঞ্চলিক ভাষায় শিক্ষার উপর দেওয়া হয়েছে গুরুত্ব।

নতুন শিক্ষানীতিতে বলা হয়েছে, স্কুলের আগে তিন বছরের প্রাক-স্কুল শিক্ষা রাখা হচ্ছে। ১০+২ স্কুল শিক্ষা ব্যবস্থার বদলে ৫+৩+৩+৪ ব্যবস্থা চালু করা হচ্ছে। তৃতীয় থেকে পঞ্চম শ্রেণি প্রস্তুতিপর্ব হিসাবে ধরা হয়েছে। ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণি মাঝারি পর্বের শিক্ষা বলে ধরা হচ্ছে।  নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণি মাধ্যমিক শিক্ষা হিসাবে ধরা হচ্ছে। প্রতিবছর দু’টি সেমেস্টারে ভাগ করা হয়েছে। উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বলে আর কিছুই থাকবে না। পাঠ্যক্রমে সামগ্রিক শিক্ষা, যুক্তিবাদী ভাবনা, সৃজনশীলতা, দলগত ভাবে কাজ, সামাজিক দায়বদ্ধতা, একাধিক ভাষা শিক্ষা ও ডিজিটাল শিক্ষায় গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। তিন বছরের বদলে চার বছরের অনার্সের স্নাতক স্তর হিসাবে বিবেচনা করা হয়েছে। দু’বছরের ডিপ্লোমা, তিন বছরের অনার্স ছাড়া ব্যাচেলার ডিগ্রি নিয়ে বেরিয়ে যাওয়ার সুযোগ থাকছে।













তথ্য সংগৃহীত 

Comments

Popular posts from this blog

বাড়ি থেকে স্নান করতে বেরিয়ে আর ফেরা হল না, পুকুর থেকে উদ্ধার যুবকের দেহ

Khejuri Live নিজস্ব সংবাদদাতা, খেজুরী: বাড়ি থেকে স্নান করতে বেরিয়েছিলেন ২৬ বছরের যুবক শিবশঙ্কর মাইতি। কিন্তু আর বাড়ি ফেরা হল না। দীর্ঘ প্রায় একদিনের তল্লাশির পর অবশেষে শুক্রবার সকালে বিদ্যালয়ের পুকুর থেকেই উদ্ধার হল তাঁর নিথর দেহ। এই মর্মান্তিক ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার খেজুরী এলাকার অজয়া গ্রামে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, অজয়া গ্রামের বাসিন্দা রবিন মাইতির ছেলে শিবশঙ্কর মাইতি বৃহস্পতিবার দুপুরে বাড়ি থেকে কিছুটা দূরে অবস্থিত অজয়া অন্নদা বিদ্যামন্দির উচ্চ বিদ্যালয়ের পুকুরে স্নান করতে যান। দীর্ঘ সময় কেটে গেলেও তিনি বাড়ি না ফেরায় পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। তল্লাশির সময় বিদ্যালয়ের পুকুরঘাটে শিবশঙ্করের জুতো, গামছা ও সাবান পড়ে থাকতে দেখা যায়। এরপরই আশঙ্কা করা হয়, তিনি পুকুরের জলে তলিয়ে গিয়েছেন। এলাকার বাসিন্দারা দুপুর থেকেই পুকুরে নেমে খোঁজ শুরু করেন। পাশাপাশি মেশিন বসিয়ে পুকুরের জল কমানোর কাজও শুরু হয়। কিন্তু রাত ৭টা পর্যন্ত কোনও সন্ধান মেলেনি। ঘটনার খবর দেওয়া হলে খেজুরী থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। পরে এনডিআরএফের ডুবুরি...

রেজিষ্ট্রেশন ছাড়া চলবে না টোটো, কড়াকড়ি নিয়ম রাজ্য সরকারের।

Khejuri Live: পশ্চিমবঙ্গে রেজিস্ট্রেশন ছাড়া আর চলবে না টোটো — নতুন নীতিতে কড়াকড়ি আনল রাজ্য সরকার রাজ্যের রাস্তায় আর অনিয়ন্ত্রিতভাবে টোটো চলাচল করা যাবে না। পশ্চিমবঙ্গ সরকার এবার টোটোচালকদের জন্য আনছে কঠোর নিয়ম। নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, রেজিস্ট্রেশন ছাড়া কোনো টোটো আর চলতে পারবে না। রাজ্যজুড়ে সমস্ত ব্যাটারি চালিত তিন চাকার যানবাহনকে আনতে হবে সরকারের নির্দিষ্ট ডাটাবেসের আওতায়। রেজিস্ট্রেশন বাধ্যতামূলক ঘোষণা রাজ্য পরিবহন দপ্তরের সূত্রে জানা গিয়েছে, “Temporary Toto Enrolment Number (TTEN)” নামে একটি বিশেষ ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন ব্যবস্থা চালু করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে প্রত্যেক টোটোর জন্য একটি ইউনিক নম্বর জারি করা হবে। এই নম্বর ছাড়াই আর কোনো টোটো রাস্তায় নামলে সেটিকে অবৈধ বলে গণ্য করা হবে। ভবিষ্যতে QR কোডযুক্ত নম্বরপ্লেটও লাগানো বাধ্যতামূলক করা হবে। কেন এই সিদ্ধান্ত? বিগত কয়েক বছরে টোটোর সংখ্যা রাজ্যজুড়ে কয়েক লক্ষে পৌঁছেছে। অনেক জায়গায় রুট নির্ধারণ ছাড়াই অনিয়ন্ত্রিতভাবে টোটো চলাচল করছে, যা ট্রাফিক জট, দুর্ঘটনা ও নিরাপত্তা সমস্যার কারণ হয়ে উঠেছে। জানা যায়, “রাজ্যের প্রায় ৪ লক্ষেরও বেশি টো...

মৎস্যজীবী পরিবারের যাদব থেকে ড. যাদব মাঝি হয়ে ওঠার অনুপ্রেরণা আপনাকেও নিঃসন্দেহে উজ্জীবিত করবে।

মৎস্যজীবী পরিবারের যাদব থেকে গবেষক ড. যাদব মাঝি হয়ে ওঠার অনুপ্রেরণা আপনাকেও নিঃসন্দেহে উজ্জীবিত করবে।  Khejuri Live: আর্থিক অভাবে বই ফেলে সমুদ্রে মাছ ধরতে যাওয়া ছেলেটি আজ গবেষক।  সুদূর কানাডা, আমেরিকায় পড়াশোনা, গবেষনা করে এখন ভারতের সেরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আইআইটির অন্যতম ধানবাদ আইআইটির প্রফেসর পদে যোগ দিতে চলেছেন তিনি। প্রফেসর পদে যোগ দেওয়ার জন্য নিয়োগ পত্র হাতে পেয়েছেন যাদব মাঝি। রঘুসর্দারবাড় জালপাই ও শৌলার দরিদ্র মৎস্যজীবী মানুষদের কাছে ড. যাদব মাঝির লড়াই গর্ব ও অহংকারের। সালটা ছিল ২০০৮, নয়াপুট সুধীরকুমার হাই স্কুল থেকে মাধ্যমিক পরীক্ষায় ৮৬.২৫ শতাংশ নাম্বার পেয়ে বিদ্যালয়ের সেরা হয় যাদব। মাধ্যমিকের সাফল্য পেলেও আর্থিক অভাব অনটনের কারনে স্কুলছুট হতে হয় যাদব কে। সদ্য বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক হিসেবে নিযুক্ত হয়েছেন বসন্তকুমার ঘোড়াই। বিদ্যালয়ের সেরা ছাত্র একাদশ শ্রেনিতে ভর্তি না হওয়ায় খোঁজ নেন। সহ-শিক্ষক সন্দীপ কুমার জানাকে সাথে নিয়ে মোটর বাইকে যাদবের বাড়ি পৌঁছান তিনি। যাদবের বাড়ি গিয়ে যাদবের বাবা লঙ্কেশ্বর বাবুর মুখে শুনলেন, যাদব মাছ ধরতে গিয়েছে আসতে দেরি হবে। দীর্...