Skip to main content

আমেরিকার অনলাইন বলিউড কনসার্টে যোগদান করল খেজুরীর সমীর ডান্স অ্যাকাডেমি

Khejuri Live: আমেরিকার অনলাইন বলিউড কনসার্টে আমন্ত্রণ পেল পশ্চিমবঙ্গের খেজুরীর  সমীর ডান্স অ্যাকাডেমি।


করোনা মহামারীর জন্য যখন গোটা বিশ্ব  গৃহবন্দি। আমেরিকার মত প্রথম সারির দেশেও এই করোনার গ্রাসে ভীত ও সন্ত্রস্ত। পরিসংখ্যান দেখলেই বোঝা যায় সেখানে প্রতিদিন লাফিয়ে লাফিয়ে মৃত্যু ও আক্রান্ত সংখ্যা ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে সমগ্র অনুষ্ঠান অনলাইনকে মাধ্যমে করে আয়োজন করছে আয়োজকরা।

 আমেরিকার নিউইয়র্কে ট্রাই স্টেটের নবনির্মিত হিন্দু মন্দিরের  আর্থিক সাহায্যের জন্য বলিউড কনসার্ট আয়োজন করে আর্ট ফ্রম ইন্ডিয়া।এই অনুষ্ঠানে ভারতের অনেক গুণী শিল্পীরা আমন্ত্রণ পায় সেই সঙ্গে আমন্ত্রণ পায় পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুরের খেজুরির সমীর ডান্স অ্যাকাডেমি । এই অনুষ্ঠান ইউটিউব ও ফেসবুক পেজের মাধ্যমে সারা বিশ্বের মানুষের কাছে তুলে ধরা হয় । দু'ঘণ্টার এই লাইভ কনসার্টে নাচ, গান ও বাদ্যযন্ত্রের প্রদর্শন করেন শিল্পীরা। সমীর পন্ডার কোরিওগ্রাফিতে সমীর ডান্স অ্যাকাডেমির ছাত্রছাত্রীরা  "ওরে পিয়া" ও "ঘর মোরে পরদেশিয়া" হিন্দি সিনেমার এই দুই বিখ্যাত গানের উপর নৃত্য পরিবেশন করেন।মেদিনীপুরের খেজুরি, নন্দীগ্রাম, ভগবানপুর, এগরার সহ অন্যান্য জায়গায় সমীর ডান্স অ্যাকাডেমির ছাত্রছাত্রীরা এই কনসার্টে অংশগ্রহণ করে। এই অনুষ্ঠানে প্রাচ্য-পাশ্চাত্যের মেলবন্ধনে সমীর পন্ডা তার নিজস্ব নৃত্যশৈলী উপস্থাপন করেন। মধুরিমা, প্রেরণা, প্রিয়া, সমর্পিতা, অম্বিকেশ, পূর্ণেন্দু ও সৌজেন্দ্রের অসাধারণ নৃত্য শৈলী দর্শকদের কাছে সমাদৃত হয়।

 আর্ট ফ্রম ইন্ডিয়ার ডিরেক্টর অজয়বীর চপেটকর আমেরিকাতে ভারতীয় ঐতিহ্য এবং সংস্কৃতিকে তুলে ধরতে বিভিন্ন অনুষ্ঠান করে থাকেন। সমীর ডান্স অ্যাকাডেমির ডিরেক্টর সমীর পন্ডা জানান অনলাইনে এমন একটি সুযোগ হাতের কাছে চলে আসায় সবাই খুব আনন্দিত এবং গর্বিত। এই অনুষ্ঠানে জন্য বহু  মানুষের তাদের শুভেচ্ছা এবং অভিনন্দন পাঠায়। আগামী দিনে তারা আরও তাদের সৃজনশীল চিন্তাভাবনা দেশ থেকে বিদেশে ছড়িয়ে দিতে চায়।

Comments

Popular posts from this blog

বাড়ি থেকে স্নান করতে বেরিয়ে আর ফেরা হল না, পুকুর থেকে উদ্ধার যুবকের দেহ

Khejuri Live নিজস্ব সংবাদদাতা, খেজুরী: বাড়ি থেকে স্নান করতে বেরিয়েছিলেন ২৬ বছরের যুবক শিবশঙ্কর মাইতি। কিন্তু আর বাড়ি ফেরা হল না। দীর্ঘ প্রায় একদিনের তল্লাশির পর অবশেষে শুক্রবার সকালে বিদ্যালয়ের পুকুর থেকেই উদ্ধার হল তাঁর নিথর দেহ। এই মর্মান্তিক ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার খেজুরী এলাকার অজয়া গ্রামে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, অজয়া গ্রামের বাসিন্দা রবিন মাইতির ছেলে শিবশঙ্কর মাইতি বৃহস্পতিবার দুপুরে বাড়ি থেকে কিছুটা দূরে অবস্থিত অজয়া অন্নদা বিদ্যামন্দির উচ্চ বিদ্যালয়ের পুকুরে স্নান করতে যান। দীর্ঘ সময় কেটে গেলেও তিনি বাড়ি না ফেরায় পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। তল্লাশির সময় বিদ্যালয়ের পুকুরঘাটে শিবশঙ্করের জুতো, গামছা ও সাবান পড়ে থাকতে দেখা যায়। এরপরই আশঙ্কা করা হয়, তিনি পুকুরের জলে তলিয়ে গিয়েছেন। এলাকার বাসিন্দারা দুপুর থেকেই পুকুরে নেমে খোঁজ শুরু করেন। পাশাপাশি মেশিন বসিয়ে পুকুরের জল কমানোর কাজও শুরু হয়। কিন্তু রাত ৭টা পর্যন্ত কোনও সন্ধান মেলেনি। ঘটনার খবর দেওয়া হলে খেজুরী থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। পরে এনডিআরএফের ডুবুরি...

রেজিষ্ট্রেশন ছাড়া চলবে না টোটো, কড়াকড়ি নিয়ম রাজ্য সরকারের।

Khejuri Live: পশ্চিমবঙ্গে রেজিস্ট্রেশন ছাড়া আর চলবে না টোটো — নতুন নীতিতে কড়াকড়ি আনল রাজ্য সরকার রাজ্যের রাস্তায় আর অনিয়ন্ত্রিতভাবে টোটো চলাচল করা যাবে না। পশ্চিমবঙ্গ সরকার এবার টোটোচালকদের জন্য আনছে কঠোর নিয়ম। নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, রেজিস্ট্রেশন ছাড়া কোনো টোটো আর চলতে পারবে না। রাজ্যজুড়ে সমস্ত ব্যাটারি চালিত তিন চাকার যানবাহনকে আনতে হবে সরকারের নির্দিষ্ট ডাটাবেসের আওতায়। রেজিস্ট্রেশন বাধ্যতামূলক ঘোষণা রাজ্য পরিবহন দপ্তরের সূত্রে জানা গিয়েছে, “Temporary Toto Enrolment Number (TTEN)” নামে একটি বিশেষ ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন ব্যবস্থা চালু করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে প্রত্যেক টোটোর জন্য একটি ইউনিক নম্বর জারি করা হবে। এই নম্বর ছাড়াই আর কোনো টোটো রাস্তায় নামলে সেটিকে অবৈধ বলে গণ্য করা হবে। ভবিষ্যতে QR কোডযুক্ত নম্বরপ্লেটও লাগানো বাধ্যতামূলক করা হবে। কেন এই সিদ্ধান্ত? বিগত কয়েক বছরে টোটোর সংখ্যা রাজ্যজুড়ে কয়েক লক্ষে পৌঁছেছে। অনেক জায়গায় রুট নির্ধারণ ছাড়াই অনিয়ন্ত্রিতভাবে টোটো চলাচল করছে, যা ট্রাফিক জট, দুর্ঘটনা ও নিরাপত্তা সমস্যার কারণ হয়ে উঠেছে। জানা যায়, “রাজ্যের প্রায় ৪ লক্ষেরও বেশি টো...

মৎস্যজীবী পরিবারের যাদব থেকে ড. যাদব মাঝি হয়ে ওঠার অনুপ্রেরণা আপনাকেও নিঃসন্দেহে উজ্জীবিত করবে।

মৎস্যজীবী পরিবারের যাদব থেকে গবেষক ড. যাদব মাঝি হয়ে ওঠার অনুপ্রেরণা আপনাকেও নিঃসন্দেহে উজ্জীবিত করবে।  Khejuri Live: আর্থিক অভাবে বই ফেলে সমুদ্রে মাছ ধরতে যাওয়া ছেলেটি আজ গবেষক।  সুদূর কানাডা, আমেরিকায় পড়াশোনা, গবেষনা করে এখন ভারতের সেরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আইআইটির অন্যতম ধানবাদ আইআইটির প্রফেসর পদে যোগ দিতে চলেছেন তিনি। প্রফেসর পদে যোগ দেওয়ার জন্য নিয়োগ পত্র হাতে পেয়েছেন যাদব মাঝি। রঘুসর্দারবাড় জালপাই ও শৌলার দরিদ্র মৎস্যজীবী মানুষদের কাছে ড. যাদব মাঝির লড়াই গর্ব ও অহংকারের। সালটা ছিল ২০০৮, নয়াপুট সুধীরকুমার হাই স্কুল থেকে মাধ্যমিক পরীক্ষায় ৮৬.২৫ শতাংশ নাম্বার পেয়ে বিদ্যালয়ের সেরা হয় যাদব। মাধ্যমিকের সাফল্য পেলেও আর্থিক অভাব অনটনের কারনে স্কুলছুট হতে হয় যাদব কে। সদ্য বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক হিসেবে নিযুক্ত হয়েছেন বসন্তকুমার ঘোড়াই। বিদ্যালয়ের সেরা ছাত্র একাদশ শ্রেনিতে ভর্তি না হওয়ায় খোঁজ নেন। সহ-শিক্ষক সন্দীপ কুমার জানাকে সাথে নিয়ে মোটর বাইকে যাদবের বাড়ি পৌঁছান তিনি। যাদবের বাড়ি গিয়ে যাদবের বাবা লঙ্কেশ্বর বাবুর মুখে শুনলেন, যাদব মাছ ধরতে গিয়েছে আসতে দেরি হবে। দীর্...