Skip to main content

১৯৪২শের ২৮শে সেপ্টেম্বর, খেজুরী থানা দখলের ৭৯বছর


Khejuri Live: খেজুরী ইতিহাস সংরক্ষণ সমিতির উদ্যোগে ও ব্যবস্থাপনায় জনকা বাজারের মধ্যস্থলে খেজুরী থানা প্রাঙ্গণে এক ভাবগম্ভীর পরিবেশে ইং ১৯৪২ খ্রীষ্টাব্দের ২৮ সেপ্টেম্বর স্বাধীনতা সংগ্ৰামীদের দ্বারা খেজুরী থানাসহ সরকারী ভবনগুলি দখল ও ধ্বংসসাধনের ৭৯ তম বর্ষ উদযাপিত হলো।

 বর্তমান পরিস্থিতেতে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে মাস্ক পরে এই গুরুত্বপূর্ণ দিনটি উদযাপিত হলো খেজুরী ইতিহাস সংরক্ষণ সমিতির সদস্য , স্থানীয় জনকা বাজারের ব্যবসায়ীদের উপস্থিতিতে। খেজুরী থানার প্রবেশপথে ভারতের জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও পতাকাকে সম্মান জানিয়ে পুষ্পার্ঘ্য নিবেদনের মাধ্যমে এই অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। পতাকা উত্তোলন করেন খেজুরী থানা আক্রমণে তৎকালীন অন্যতম সক্রিয় সদস্য বিপ্লবী  প্রয়াত ভোলানাথ কামিলার সহধর্মিণী সুশীলা কামিলা । উপস্থিত ছিলেন আয়োজক সংস্থার সভাপতি শান্তিরাম দাস, ড. রামচন্দ্র মন্ডল, ড. প্রবালকান্তি হাজরা,স্বপন কুমার মন্ডল, শ্যামল বাকরা, সমুদ্ভব দাস, সুদর্শন সেন, জয়দেব মাইতি,দূর্গা দাস প্রমুখেরা।

উপস্থিত ব্যক্তিরা ভারত ছাড়ো আন্দোলন পর্বে জাতীয় কংগ্ৰেস কমিটির সিদ্ধান্ত মতো সারা ভারতে একসঙ্গে ইং ১৯৪২ খ্রীষ্টাব্দের ২৯ সেপ্টেম্বর দিনটিতে সরকারী ভবনগুলি আক্রমণের পূর্ব ঘোষিত কর্মসূচীর পরিবর্তে পূর্বের দিন ২৮ সেপ্টেম্বর গভীর রাত্রেই সুকৌশলে অসম সাহসের পরিচয় দিয়ে খেজুরীর বিপ্লবীদের বিনা রক্তপাতে খেজুরী থানাসহ সরকারী ভবনগুলি দখল ও ধ্বংসসাধন, তিন মাস ধরে খেজুরীতে জাতীয় সরকার প্রতিষ্ঠার গৌরবময় দিকগুলি তুলে ধরেন। সমগ্ৰ অনুষ্ঠানটির সঞ্চালনায় ছিলেন সুমন নারায়ন বাকরা।

Comments

Popular posts from this blog

বাড়ি থেকে স্নান করতে বেরিয়ে আর ফেরা হল না, পুকুর থেকে উদ্ধার যুবকের দেহ

Khejuri Live নিজস্ব সংবাদদাতা, খেজুরী: বাড়ি থেকে স্নান করতে বেরিয়েছিলেন ২৬ বছরের যুবক শিবশঙ্কর মাইতি। কিন্তু আর বাড়ি ফেরা হল না। দীর্ঘ প্রায় একদিনের তল্লাশির পর অবশেষে শুক্রবার সকালে বিদ্যালয়ের পুকুর থেকেই উদ্ধার হল তাঁর নিথর দেহ। এই মর্মান্তিক ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার খেজুরী এলাকার অজয়া গ্রামে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, অজয়া গ্রামের বাসিন্দা রবিন মাইতির ছেলে শিবশঙ্কর মাইতি বৃহস্পতিবার দুপুরে বাড়ি থেকে কিছুটা দূরে অবস্থিত অজয়া অন্নদা বিদ্যামন্দির উচ্চ বিদ্যালয়ের পুকুরে স্নান করতে যান। দীর্ঘ সময় কেটে গেলেও তিনি বাড়ি না ফেরায় পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। তল্লাশির সময় বিদ্যালয়ের পুকুরঘাটে শিবশঙ্করের জুতো, গামছা ও সাবান পড়ে থাকতে দেখা যায়। এরপরই আশঙ্কা করা হয়, তিনি পুকুরের জলে তলিয়ে গিয়েছেন। এলাকার বাসিন্দারা দুপুর থেকেই পুকুরে নেমে খোঁজ শুরু করেন। পাশাপাশি মেশিন বসিয়ে পুকুরের জল কমানোর কাজও শুরু হয়। কিন্তু রাত ৭টা পর্যন্ত কোনও সন্ধান মেলেনি। ঘটনার খবর দেওয়া হলে খেজুরী থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। পরে এনডিআরএফের ডুবুরি...

রেজিষ্ট্রেশন ছাড়া চলবে না টোটো, কড়াকড়ি নিয়ম রাজ্য সরকারের।

Khejuri Live: পশ্চিমবঙ্গে রেজিস্ট্রেশন ছাড়া আর চলবে না টোটো — নতুন নীতিতে কড়াকড়ি আনল রাজ্য সরকার রাজ্যের রাস্তায় আর অনিয়ন্ত্রিতভাবে টোটো চলাচল করা যাবে না। পশ্চিমবঙ্গ সরকার এবার টোটোচালকদের জন্য আনছে কঠোর নিয়ম। নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, রেজিস্ট্রেশন ছাড়া কোনো টোটো আর চলতে পারবে না। রাজ্যজুড়ে সমস্ত ব্যাটারি চালিত তিন চাকার যানবাহনকে আনতে হবে সরকারের নির্দিষ্ট ডাটাবেসের আওতায়। রেজিস্ট্রেশন বাধ্যতামূলক ঘোষণা রাজ্য পরিবহন দপ্তরের সূত্রে জানা গিয়েছে, “Temporary Toto Enrolment Number (TTEN)” নামে একটি বিশেষ ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন ব্যবস্থা চালু করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে প্রত্যেক টোটোর জন্য একটি ইউনিক নম্বর জারি করা হবে। এই নম্বর ছাড়াই আর কোনো টোটো রাস্তায় নামলে সেটিকে অবৈধ বলে গণ্য করা হবে। ভবিষ্যতে QR কোডযুক্ত নম্বরপ্লেটও লাগানো বাধ্যতামূলক করা হবে। কেন এই সিদ্ধান্ত? বিগত কয়েক বছরে টোটোর সংখ্যা রাজ্যজুড়ে কয়েক লক্ষে পৌঁছেছে। অনেক জায়গায় রুট নির্ধারণ ছাড়াই অনিয়ন্ত্রিতভাবে টোটো চলাচল করছে, যা ট্রাফিক জট, দুর্ঘটনা ও নিরাপত্তা সমস্যার কারণ হয়ে উঠেছে। জানা যায়, “রাজ্যের প্রায় ৪ লক্ষেরও বেশি টো...

মৎস্যজীবী পরিবারের যাদব থেকে ড. যাদব মাঝি হয়ে ওঠার অনুপ্রেরণা আপনাকেও নিঃসন্দেহে উজ্জীবিত করবে।

মৎস্যজীবী পরিবারের যাদব থেকে গবেষক ড. যাদব মাঝি হয়ে ওঠার অনুপ্রেরণা আপনাকেও নিঃসন্দেহে উজ্জীবিত করবে।  Khejuri Live: আর্থিক অভাবে বই ফেলে সমুদ্রে মাছ ধরতে যাওয়া ছেলেটি আজ গবেষক।  সুদূর কানাডা, আমেরিকায় পড়াশোনা, গবেষনা করে এখন ভারতের সেরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আইআইটির অন্যতম ধানবাদ আইআইটির প্রফেসর পদে যোগ দিতে চলেছেন তিনি। প্রফেসর পদে যোগ দেওয়ার জন্য নিয়োগ পত্র হাতে পেয়েছেন যাদব মাঝি। রঘুসর্দারবাড় জালপাই ও শৌলার দরিদ্র মৎস্যজীবী মানুষদের কাছে ড. যাদব মাঝির লড়াই গর্ব ও অহংকারের। সালটা ছিল ২০০৮, নয়াপুট সুধীরকুমার হাই স্কুল থেকে মাধ্যমিক পরীক্ষায় ৮৬.২৫ শতাংশ নাম্বার পেয়ে বিদ্যালয়ের সেরা হয় যাদব। মাধ্যমিকের সাফল্য পেলেও আর্থিক অভাব অনটনের কারনে স্কুলছুট হতে হয় যাদব কে। সদ্য বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক হিসেবে নিযুক্ত হয়েছেন বসন্তকুমার ঘোড়াই। বিদ্যালয়ের সেরা ছাত্র একাদশ শ্রেনিতে ভর্তি না হওয়ায় খোঁজ নেন। সহ-শিক্ষক সন্দীপ কুমার জানাকে সাথে নিয়ে মোটর বাইকে যাদবের বাড়ি পৌঁছান তিনি। যাদবের বাড়ি গিয়ে যাদবের বাবা লঙ্কেশ্বর বাবুর মুখে শুনলেন, যাদব মাছ ধরতে গিয়েছে আসতে দেরি হবে। দীর্...