Skip to main content

৩২দিন পর শেষকৃত্য হলেও বিচার অধরা! খেজুরীতে ২ ব্যক্তির মৃত্যু মামলা গেল সিআইডির হাতে।

Khejuri Live: ৩২দিন পর শেষকৃত্য হলেও বিচার অধরা! খেজুরীতে ২ ব্যক্তির মৃত্যু মামলা গেল সিআইডির হাতে। খেজুরী থানার তদন্তকারী অফিসারকে দ্রুত কেস ডায়েরি তুলে দিতে হবে সিআইডির হাতে। সিবিআই-এর ওপর আস্থা রাখলেন না খোদ বিচারপতি।


আদালতের নজরদারিতে সিআইডি তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ। এডিজি সিআইডি-কে এই মর্মে নির্দেশ দিলেন কলকাতা হাইকোর্ট। ডিআইজি পদমর্যাদা অফিসারের নেতৃত্বে হবে তদন্ত। সিআইডি হোমিসাইড শাখার আধিকারিকরা তদন্তে থাকবেন। হাইকোর্ট নির্দেশ দিয়ে বলেন, খেজুরী থানার তদন্তকারী অফিসারকে দ্রুত কেস ডায়েরি তুলে দিতে হবে সিআইডির হাতে।
শুধু তাই নয়, আদালতের নির্দেশ, ২৫ সেপ্টেম্বর তদন্তের অগ্রগতি রিপোর্ট পেশ করতে হবে সিআইডিকে। সিবিআই তদন্ত নিয়ে কটাক্ষের সুরে বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ বলেন “সিবিআই এখন গ্যালারি শো করছে”। দুটি হাসপাতালের ময়নাতদন্তের রিপোর্ট সিআইডিকে হস্তান্তর করতে নির্দেশ দিয়েছে আদালত। 
প্রসঙ্গত, গত ১১ই জুলাই রাতে খেজুরীর জনকা পঞ্চায়েত এলাকার পশ্চিম ভাঙনমারিতে মহরমের অনুষ্ঠান দেখতে গিয়ে দুই ব্যক্তি, সুজিত দাস (২৩) পিতা-শশাঙ্ক দাস, পূর্ব ভাঙ্গনমারি গ্রামের বাসিন্দা এবং সুধীর চন্দ্র পাইক (৬৫), পিতা-কেদার পাইক, ঝাঁটিহারি গ্রামের বাসিন্দার অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়। ৩২ দিন পর কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে পুণরায় ময়নাতদন্তের পর গত ১০ই আগস্ট দুই ব্যক্তির মরদেহ পরিবারের লোকজন পেয়ে শেষকৃত্য সম্পন্ন করেন। উল্লেখ্য, খেজুরীতে মহরমের অনুষ্ঠান চলাকালীন বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দু’জনের মৃত্যু হয়েছে বলে প্রথম ময়নাতদন্তে উঠে এলেও দ্বিতীয় ময়নাতদন্ত রিপোর্টে শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলে এসএসকেএম-এর ময়নাতদন্ত রিপোর্টে উল্লেখ রয়েছে৷ এরপরই তোলপাড় শুরু হয় এই মামলা ঘিরে। অবশেষে পৃথক দুটি ময়নাতদন্তে মৃত্যুর কারন নিয়ে হতাশ হাইকোর্ট। এখন সিআইডি কত দ্রুত এই মামলার তদন্ত করে রহস্য উন্মোচন করেন তা দেখার।

Comments

Popular posts from this blog

বাড়ি থেকে স্নান করতে বেরিয়ে আর ফেরা হল না, পুকুর থেকে উদ্ধার যুবকের দেহ

Khejuri Live নিজস্ব সংবাদদাতা, খেজুরী: বাড়ি থেকে স্নান করতে বেরিয়েছিলেন ২৬ বছরের যুবক শিবশঙ্কর মাইতি। কিন্তু আর বাড়ি ফেরা হল না। দীর্ঘ প্রায় একদিনের তল্লাশির পর অবশেষে শুক্রবার সকালে বিদ্যালয়ের পুকুর থেকেই উদ্ধার হল তাঁর নিথর দেহ। এই মর্মান্তিক ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার খেজুরী এলাকার অজয়া গ্রামে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, অজয়া গ্রামের বাসিন্দা রবিন মাইতির ছেলে শিবশঙ্কর মাইতি বৃহস্পতিবার দুপুরে বাড়ি থেকে কিছুটা দূরে অবস্থিত অজয়া অন্নদা বিদ্যামন্দির উচ্চ বিদ্যালয়ের পুকুরে স্নান করতে যান। দীর্ঘ সময় কেটে গেলেও তিনি বাড়ি না ফেরায় পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। তল্লাশির সময় বিদ্যালয়ের পুকুরঘাটে শিবশঙ্করের জুতো, গামছা ও সাবান পড়ে থাকতে দেখা যায়। এরপরই আশঙ্কা করা হয়, তিনি পুকুরের জলে তলিয়ে গিয়েছেন। এলাকার বাসিন্দারা দুপুর থেকেই পুকুরে নেমে খোঁজ শুরু করেন। পাশাপাশি মেশিন বসিয়ে পুকুরের জল কমানোর কাজও শুরু হয়। কিন্তু রাত ৭টা পর্যন্ত কোনও সন্ধান মেলেনি। ঘটনার খবর দেওয়া হলে খেজুরী থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। পরে এনডিআরএফের ডুবুরি...

রেজিষ্ট্রেশন ছাড়া চলবে না টোটো, কড়াকড়ি নিয়ম রাজ্য সরকারের।

Khejuri Live: পশ্চিমবঙ্গে রেজিস্ট্রেশন ছাড়া আর চলবে না টোটো — নতুন নীতিতে কড়াকড়ি আনল রাজ্য সরকার রাজ্যের রাস্তায় আর অনিয়ন্ত্রিতভাবে টোটো চলাচল করা যাবে না। পশ্চিমবঙ্গ সরকার এবার টোটোচালকদের জন্য আনছে কঠোর নিয়ম। নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, রেজিস্ট্রেশন ছাড়া কোনো টোটো আর চলতে পারবে না। রাজ্যজুড়ে সমস্ত ব্যাটারি চালিত তিন চাকার যানবাহনকে আনতে হবে সরকারের নির্দিষ্ট ডাটাবেসের আওতায়। রেজিস্ট্রেশন বাধ্যতামূলক ঘোষণা রাজ্য পরিবহন দপ্তরের সূত্রে জানা গিয়েছে, “Temporary Toto Enrolment Number (TTEN)” নামে একটি বিশেষ ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন ব্যবস্থা চালু করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে প্রত্যেক টোটোর জন্য একটি ইউনিক নম্বর জারি করা হবে। এই নম্বর ছাড়াই আর কোনো টোটো রাস্তায় নামলে সেটিকে অবৈধ বলে গণ্য করা হবে। ভবিষ্যতে QR কোডযুক্ত নম্বরপ্লেটও লাগানো বাধ্যতামূলক করা হবে। কেন এই সিদ্ধান্ত? বিগত কয়েক বছরে টোটোর সংখ্যা রাজ্যজুড়ে কয়েক লক্ষে পৌঁছেছে। অনেক জায়গায় রুট নির্ধারণ ছাড়াই অনিয়ন্ত্রিতভাবে টোটো চলাচল করছে, যা ট্রাফিক জট, দুর্ঘটনা ও নিরাপত্তা সমস্যার কারণ হয়ে উঠেছে। জানা যায়, “রাজ্যের প্রায় ৪ লক্ষেরও বেশি টো...

মৎস্যজীবী পরিবারের যাদব থেকে ড. যাদব মাঝি হয়ে ওঠার অনুপ্রেরণা আপনাকেও নিঃসন্দেহে উজ্জীবিত করবে।

মৎস্যজীবী পরিবারের যাদব থেকে গবেষক ড. যাদব মাঝি হয়ে ওঠার অনুপ্রেরণা আপনাকেও নিঃসন্দেহে উজ্জীবিত করবে।  Khejuri Live: আর্থিক অভাবে বই ফেলে সমুদ্রে মাছ ধরতে যাওয়া ছেলেটি আজ গবেষক।  সুদূর কানাডা, আমেরিকায় পড়াশোনা, গবেষনা করে এখন ভারতের সেরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আইআইটির অন্যতম ধানবাদ আইআইটির প্রফেসর পদে যোগ দিতে চলেছেন তিনি। প্রফেসর পদে যোগ দেওয়ার জন্য নিয়োগ পত্র হাতে পেয়েছেন যাদব মাঝি। রঘুসর্দারবাড় জালপাই ও শৌলার দরিদ্র মৎস্যজীবী মানুষদের কাছে ড. যাদব মাঝির লড়াই গর্ব ও অহংকারের। সালটা ছিল ২০০৮, নয়াপুট সুধীরকুমার হাই স্কুল থেকে মাধ্যমিক পরীক্ষায় ৮৬.২৫ শতাংশ নাম্বার পেয়ে বিদ্যালয়ের সেরা হয় যাদব। মাধ্যমিকের সাফল্য পেলেও আর্থিক অভাব অনটনের কারনে স্কুলছুট হতে হয় যাদব কে। সদ্য বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক হিসেবে নিযুক্ত হয়েছেন বসন্তকুমার ঘোড়াই। বিদ্যালয়ের সেরা ছাত্র একাদশ শ্রেনিতে ভর্তি না হওয়ায় খোঁজ নেন। সহ-শিক্ষক সন্দীপ কুমার জানাকে সাথে নিয়ে মোটর বাইকে যাদবের বাড়ি পৌঁছান তিনি। যাদবের বাড়ি গিয়ে যাদবের বাবা লঙ্কেশ্বর বাবুর মুখে শুনলেন, যাদব মাছ ধরতে গিয়েছে আসতে দেরি হবে। দীর্...